নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ছেলে ও স্ত্রীর পর মারা গেছেন স্বামীও মাইদুল ইসলাম(২৪)। এনিয়ে এ ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনই মারা গেল।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সর্বশেষ মারা যান গৃহকর্তা মাইদুল ইসলাম (২৪)। এর আগে গত শনিবার মারা যায় ছেলে মারুফ। সোমবার মারা যান স্ত্রী বিউটি আক্তার (২২)। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ও সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, বিস্ফোরণের ঘটনায় শ্বাসনালি দগ্ধসহ ৮৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ভর্তি ছিলেন মাইদুল ইসলাম (২৪)। তার স্ত্রী ৯০ ও ছেলে ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এর আগেই মারা গেছেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ৭টার দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন রাজমিস্ত্রী মাইদুল ইসলাম (২৪), তার স্ত্রী বিউটি আক্তার (২২) ও তাদের ছেলে মারুফ (৮)।
মৃত মারুফের মামা মো. রনি জানান, বন্দরে তারা পাশাপাশি বাসায় ভাড়া থাকেন। মাইদুল একটি টিনশেড বাসায় থাকতেন। সকালে মাইদুল ঘরের মধ্যে সিগারেট ধরানোর পরপরই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘরে থাকা তার পরিবারের তিনজনও দগ্ধ হন। তাদের ধারণা, জমে থাকা গ্যাস থেকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, বিউটিদের বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার ওমরপুর গ্রামে। আর মাইদুলের বাড়ি একই উপজেলার বরবাদকয়া গ্রামে। মাইদুল রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো। মারুফ স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। এই ঘটনায় একে একে পরিবারটির ৩ জনই মারা গেলেন।
সময়ের আলো/কেএইচও