জলসীমায় তেল দূষণের ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানের জলসীমা ও আশপাশের এলাকায় কয়েক দশক ধরে তেল দূষণের কারণে পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তেহরান।বুধবার (১২ আগস্ট)

2026-08-13T08:56:39+00:00
2026-08-13T08:56:39+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬,
২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক
জলসীমায় তেল দূষণের ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫৬ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
ইরানের জলসীমা ও আশপাশের এলাকায় কয়েক দশক ধরে তেল দূষণের কারণে পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তেহরান।

বুধবার (১২ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে জাহাজ চলাচল থেকে যেসব পক্ষ লাভবান হয়, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের পরিবেশগত ক্ষতি পূরণে তাদের আইনগত ও নৈতিক দায় রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের কেশম দ্বীপের একটি সৈকতে বুধবার ঘন তেলের আস্তরণ ভেসে এসেছে। কয়েক দশক ধরে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের পানি এবং সামুদ্রিক প্রতিবেশব্যবস্থা ব্যাপক দূষণের শিকার হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বাঘাই বলেন, এই দূষণের কারণে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় ক্ষতির পরিমাণ কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ক্ষতির জন্য কারা ক্ষতিপূরণ দেবে— এই অঞ্চলের সস্তা জ্বালানি ব্যবহারকারী দেশগুলো, জাহাজের বিমা প্রতিষ্ঠান, নাকি সেই দেশ ও তাদের মিত্ররা, যারা পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরকে সামরিক অভিযান ও অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের পরীক্ষার ক্ষেত্র বানিয়েছে?

এদিকে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ট্যাংকার থেকে ছড়িয়ে পড়া তেল ওমানের উপকূলেও পৌঁছেছে। দেশটির পরিবেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাস মাদরাকাহ এলাকার কয়েকটি সৈকতে তেল ছড়িয়ে পড়েছে।

তেল ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ও এর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বিশেষজ্ঞ দল মোতায়েন করেছে ওমান। দেশটির পরিবেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাস মাদরাকাহ এলাকায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার উপকূলীয় অঞ্চল তেল দূষণে আক্রান্ত হয়েছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তেল মাসিরাহ দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলীয় সৈকতেও পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মাসিরাহ দ্বীপে সমৃদ্ধ উপকূলীয় প্রতিবেশব্যবস্থা রয়েছে। বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপও সেখানে ডিম পাড়ে। পরিবেশবিষয়ক সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে, তেল ছড়িয়ে পড়ার পরিমাণ আরও বাড়লে এটি বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ‘ক্যারোলিন বেজেঙ্গি’ নামের ট্যাংকারটি গত ৩০ জুন সমুদ্রতটে আটকে যাওয়ার সময় প্রায় ৮ লাখ ব্যারেল রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বহন করছিল।

রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বিশ্বজুড়ে তেল পরিবহন ও বিক্রির কাজে ব্যবহৃত তথাকথিত ‘ছায়া বহর’-এর অংশ হিসেবে ব্যবহৃত ওই ট্যাংকারটির ওপর একাধিক দেশের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।


সময়ের আলো/কেএইচ


  বিষয়:   সময়ের আলো  ইরান  যুক্তরাষ্ট্র  ইসরায়েল  যুদ্ধ  হরমুজ প্রণালী 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: