কুড়িগ্রাম কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ১৫০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য রাজস্বের আওতামুক্ত নতুন প্রতিষ্ঠানসমূহকে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সূত্র জানায়, গত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে কুড়িগ্রাম কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল মোট রাজস্ব আদায় করে ৭৩ কোটি ৫৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মোট রাজস্ব আদায় হয় ৯২ কোটি ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। গত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ১৮ কোটি ৪৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়, যা ২৫ শতাংশ বেশি। তবে, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২০ শতাংশ রাজস্ব কম আদায় হয়। ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৪ কোটি ৭৯ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয় ৯২ কোটি ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ বছর রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাড়ায় ২২ কোটি ৫৩ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
সূত্র আরও জানায়, কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট, উলিপুর ও চিলমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত কুড়িগ্রাম সার্কেলের রাজস্ব আদায়ের বড় খাতগুলো হচ্ছে- তামাকজাত পণ্য, নির্মাণ, যোগানদার, পল্লী বিদ্যুৎ, নিলাম, সান বেভারেজ লিঃ ও ইট ভাটা খাত। চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে কুড়িগ্রাম সার্কেলকে ১৫১ কোটি ৮ লাখ ৩৩ হাজার টাকা রাজস্ব আদায়ের টার্গেট দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য রাজস্ব আদায়ের আওতা বাড়ানোসহ বহুমুখী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রাম কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেলের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমি সবেমাত্র কুড়িগ্রাম সার্কেলের দায়িত্বে এসেছি। তবুও, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের টার্গেট পূরণের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’
কুড়িগ্রাম কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনার সাইদুর রহমান মুন্না বলেন, ‘কুড়িগ্রামে যদি নির্মাণ খাতের পরিধি বাড়ে, তাহলে খুব সহজেই রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।’
সময়ের আলো/মহু