সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো কিশোরগঞ্জ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে পুরো জেলায় এখন উৎসবের আমেজ, উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে স্থানীয়দের মধ্যে। নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি কিশোরগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থাপনাগুলোতে সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে কিশোরগঞ্জবাসীর প্রত্যাশাও রয়েছে অনেক। রোববার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন, জেলা শহরের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন, বৃক্ষরোপণ, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনসহ একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সাড়া জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সফরের কর্মসূচিকে নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানাতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রস্তুতিও শেষ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে দলীয়ভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে কোথায় কীভাবে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানানো হবে তার কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেছেন এবং ইতিমধ্যে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি,বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালিদ সাইফুল্লাহ সোহেল খানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা কর্মসূচী স্থান পরিদর্শন করেছেন।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট জালাল উদ্দীন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে তাকে এক নজর দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ সেখানে উপস্থিত থাকবেন। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিয়েছি।
কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান শেলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পুরো টিম কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সময়ের আলো/আতা