বাণিজ্যে রাজনীতির আঁচ চান না দুদেশের ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থনীতি

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে রাজনৈতিক আঁচমুক্ত রাখার বিষয়ে মত দিয়েছেন দুই দেশের ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, রাজনৈতিক বিষয়কে পাশে সরিয়ে রেখে দুদেশের

2026-08-19T01:25:58+00:00
2026-08-19T01:25:58+00:00
 
  বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬,
৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
অর্থনীতি
ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ঢাকা সফর
বাণিজ্যে রাজনীতির আঁচ চান না দুদেশের ব্যবসায়ীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৫ এএম 
প্রতীকী ছবি
বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে রাজনৈতিক আঁচমুক্ত রাখার বিষয়ে মত দিয়েছেন দুই দেশের ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, রাজনৈতিক বিষয়কে পাশে সরিয়ে রেখে দুদেশের ব্যবসায়ীরা কীভাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যকে এগিয়ে নেবে সেটিই দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মূল লক্ষ্য। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। 

বিদ্যমান এই বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সঙ্গে বৈঠক করে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল। পরে এফবিসিসিআইর মতিঝিল কার্যালয়ে বৈঠক পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান দুই দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা। 

বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অর্থায়ন এবং প্রযুক্তিবিষয়ক বিটুবি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি।

ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের নেতা চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি বলেন, কীভাবে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি করা যায় সেটি নিয়ে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছি। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাদেশের পণ্যের বড় সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সুযোগকে কীভাবে কাজে লাগানো যায় সেটি নিয়েও কথাবার্তা হয়েছে।

এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং ভারতের ইনফ্রাভিশন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি বিনায়ক চ্যাটার্জি বলেন, আমাদের প্রথম প্রস্তাব অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অর্থায়নবিষয়ক টাস্কফোর্স গঠন। দ্বিতীয় প্রস্তাব হলো প্রযুক্তিগত ‘সানরাইজ সেক্টরস’ বিষয়ক  বিটুবি অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি।

বিনায়ক চ্যাটার্জি জানান, বর্তমান প্রজন্মের তরুণ উদ্যোক্তারা গতানুগতিক খাতের পরিবর্তে নতুন নতুন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী। এমন ৮টি উদীয়মান সেক্টরকেই মূলত সানরাইজিং সেক্টর বলছেন তিনি। যেখানে রয়েছে- নিউক্লিয়ার পাওয়ার, সেমিকন্ডাক্টরস শিল্প, হাইড্রোজেন ও অ্যামোনিয়া, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ব্যাটারি, স্টোরেজ, হাইস্পিড রেল যোগাযোগ, ডেটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সোলার সেল ও মডিউল ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প ইত্যাদি।

এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, সিআইআই প্রতিনিধি দল যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটিকে কাজে লাগিয়ে দুদেশের বিনিয়োগ ও বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করা যাবে বলে আমরা মনে করি।

এফবিসিসিআই প্রশাসক আরও বলেন, রাজনৈতিক বিষয়কে পাশে সরিয়ে রেখে দুদেশের ব্যবসায়ীরা কীভাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যকে এগিয়ে নেব সেটিই আমাদের উভয় পক্ষের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যমান এই বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ের আগে এফবিসিসিআই এবং সিআইআই মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী এবং এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু।

দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করতে উভয় পক্ষের ব্যবসায়ী ও অংশীজনদের নিয়ে সমস্যার সমাধান খোঁজা জরুরি বলে মনে করেন আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি আরও বলেন, সরকার মূলত নীতিমালা নির্ধারণ করে থাকে। তবে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রকৃত সমস্যার কথা ভালো জানেন ব্যবসায়ীরাই। তাই এফবিসিসিআই এবং সিআইআইর মতো শীর্ষ সংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেলে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই সাবেক সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান, মীর নাসির হোসেন, মো. জসিম উদ্দিন, ডিসিসিআইর সভাপতি তাসকিন আহমেদ, ডিসিসিআইর সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রাহমান, বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এমদাদুল হোসেন, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. হোসেন আলী, বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁদ, এফবিসিসিআইর সাবেক সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন রাজেশ, এফবিসিসিআইর সাবেক পরিচালক আব্দুল হক ও আব্দুল ওয়াহেদ, ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মশিউর রহমান, বাংলাদেশ মোটরসাইকেল সংযোজক ও প্রস্তুতকারক সমিতিা সভাপতি মতিউর রহমান, রানার গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ আলী দীন, এফবিসিসিআইর মহাসচিব মো. আলমগীর, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) ডিরেক্টর জেনারেল মি. চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জির নেতৃত্বে দুদিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন সিআইআইর ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ভারতের ইনফ্রাভিশন ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডার ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি বিনায়ক চ্যাটার্জি, গোদরেজ ইন্ডাস্ট্রিজের গ্রুপ প্রেসিডেন্ট মি. রাকেশ স্বামী, অরভিন্দ লিমিটেডের সিইও ড. পরম শাহ, মাহেন্দ গ্রুপের রিজিওনাল হেড রাজেশ গুপ্তা, এলএমডব্লিউ গ্লোবালের চিফ অপারেটিং অফিসার পি জে রাজেশ, গোদরেজ কনজ্যুমার প্রোডাক্টসের দক্ষিণ এশিয়া প্রধান কৃষ্ণ খাতওয়ানি, মাহেন্দ বাংলাদেশের সিইও মি. চৈতন্য কাগালকার, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ল্যান্সার অ্যান্ড টুব্রোর বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর সুব্রত দত্ত গুপ্ত, ফর্বস মার্শালের ইন্টারন্যাশনাল অপারেশন বিভাগের প্রধান দীপক শার্মা, নুমলীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের চিফ জেনারেল ম্যানেজার শ্রী জ্যোতি ভূষণ শর্মা, বেক্সিমকো আইওসি পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের সিইও দেবরাজ দত্ত, অ্যাপোলো হসপিটালের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং বিভাগের প্রধান এম এস গুরু প্রসাদ প্রমুখ।

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সিরিজ বৈঠক : এদিকে ঢাকায় সফররত ভারতীয় ব্যবসায়ীরা দিনভর ব্যস্ত সময় পার করেছেন। প্রতিনিধি দলটি অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবসায়ী নেতা ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সন্ধ্যার পর রাজধানীর একটি হোটেলে নৈশভোজেও অংশ নেয় প্রতিনিধি দলটি।

গতকাল সচিবালয়ে এই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদি সাংবাদিকদের বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্যকে অর্থনৈতিক সুবিধায় রূপান্তর করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেছেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে স্বাভাবিক বাণিজ্য পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা প্রয়োজন।

ঢাকা সফররত কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি নেতৃত্ব দেন সিআইআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আয়তন, জনসংখ্যা ও অর্থনীতির আকারে পার্থক্য থাকলেও বাংলাদেশ ও ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান উভয় দেশের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ঘিরে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট ভ্রমণকারীদের ভিসা জটিলতার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

অন্যদিকে সিআইআই বাংলাদেশের অবকাঠামো ও উচ্চ প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে দুটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে একটি টাস্কফোর্স অবকাঠামো উন্নয়ন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করবে। অন্যটি সেমিকন্ডাক্টর, গ্রিন হাইড্রোজেন, ব্যাটারি স্টোরেজ এবং ডাটা সেন্টারের মতো ভবিষ্যৎমুখী শিল্প খাতে সহযোগিতার পথ খুঁজবে।

সিআইআই প্রতিনিধিরা জানান, ভারতে গত বছর অবকাঠামো খাতে প্রায় ২৫ লাখ কোটি রুপি বিনিয়োগ হয়েছে, যার বড় অংশ এসেছে বেসরকারি খাত থেকে। তাদের মতে, ভারতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশেও দেশি-বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ রয়েছে।

এনার্জিপ্যাকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের উদাহরণ তুলে এক প্রতিনিধি বলেন, দেশে উৎপাদনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এখনও অনেক পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে। স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনে ৪০ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত সময় লাগায় উৎপাদন ব্যয় ও ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা বাড়ছে। স্থানীয় শিল্পের বিকাশ ঘটলে এসব চ্যালেঞ্জ অনেকটাই কমানো সম্ভব।


এফএমসিজি খাতেও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে সিআইআই। প্রতিনিধি দল ঢাকার আশপাশে সাবান, হোম কেয়ার পণ্য, ইনসেক্টিসাইড ও ফ্র্যাগ্রেন্সসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের জন্য একটি আধুনিক সমন্বিত শিল্প-কারখানা স্থাপনের আগ্রহের কথা জানায়। পাশাপাশি বাজারে অনিবন্ধিত ও নিম্নমানের পণ্য নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

শিল্পে জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারে বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে সিআইআই প্রতিনিধিরা বলেন, তাদের স্টিমভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক ও খাদ্য শিল্পে ১০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত গ্যাস সাশ্রয় সম্ভব। তবে শুল্ক বৈষম্যের কারণে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার এখনও সীমিত।

এ ছাড়া বাংলাদেশের তরুণদের জন্য ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের তৃতীয় দেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ভিসা জটিলতা নিরসনে সহযোগিতার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষই মত প্রকাশ করে যে, আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা, ব্যবসায়ী পর্যায়ের নিবিড় সম্পৃক্ততা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর, গতিশীল ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 


  বিষয়:   বাণিজ্য  রাজনীতি  ব্যবসায়ীরা  ভারতীয় ব্যবসায়ী  ঢাকা সফর 


Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: