কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে ধামশ্রেনী ইউনিয়নে দায়িত্ব পেয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা। এ ঘটনায় প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হক উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এর আগে সোমবার (১০ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচিতদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নির্বাচিত হন ধামশ্রেনী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটির সদস্য মো. মিনহাজুল ইসলাম।
উপজেলা প্রশাসনের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এই নেতার নাম আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে। তাদের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রমে দায়িত্ব দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে যথাযথ যাচাই করা হয়নি।
তবে বিএনপির একটি সূত্রের দাবি, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ বিষয়ে মিনহাজুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু জাফর সোহেল রানা বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচির দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা ও রাজনৈতিক পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি কীভাবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী স্বেচ্ছাসেবক-সুপারভাইজার নির্বাচন কমিটির সভাপতি এ.টি.এম. আরিফ বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
সময়ের আলো/এসএকে