পর্তুগালে জনসমক্ষে ‘মুখ ঢেকে রাখার’ পোশাক নিষিদ্ধ করে নতুন আইন কার্যকর হয়েছে। আইনটি বোরকা ও নিকাব পরা মুসলিম নারীদের ওপর প্রভাব ফেলবে বলে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান ও মিডল ইস্ট আইয়ের।
দেশটির নতুন আইন অনুযায়ী, জনসমক্ষে পরিচয় গোপন বা শনাক্তে বাধা দেয় এমন পোশাক পরলে ১৫০ থেকে ৩ হাজার ইউরো (২২ হাজার থেকে ৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। তবে স্বাস্থ্য, পেশা, শিল্পকলা, আবহাওয়া এবং ধর্মীয় উপাসনালয়সহ কিছু ক্ষেত্রে মুখঢাকার অনুমতি রয়েছে।
আইনটির সমর্থকরা বলছেন, এটি জননিরাপত্তা ও পরিচয় শনাক্তের স্বার্থে প্রয়োজন। অন্যদিকে অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, এই নিষেধাজ্ঞা ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নারীদের নিজস্ব পোশাক বেছে নেওয়ার অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
এদিকে স্পেনের বালিয়ারিক দ্বীপপুঞ্জেও বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবও এগোচ্ছে। দেশটির ডানপন্থি দল ভক্স ও পিপলস পার্টি প্রথম এই প্রস্তাব সামনে আনে।
ওই প্রস্তাবে পুনরাবৃত্তি করে আইন ভাঙলে ৩০ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা এবং কাউকে জোর করে এসব পোশাক পরালে সর্বোচ্চ চার বছরের কারাদণ্ডের বিধানের কথা বলা হয়েছে। ফলে ইউরোপে বোরকা-নিকাব নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার- এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হচ্ছে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে