গাজীপুরের কাপাসিয়ায় অটোরিকশা ছিনতাইয়ের সময় চালক আতা মিয়াকে (৬০) হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ছেলের মৃত্যু খবর শুনে মা জহুরা খাতুনেরও (৭৫) মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যার পর উপজেলার সনমানিয়া ইউনিয়নের মির্জানগর শিমুলতলী এলাকায় একটি নির্জন মেঠোপথে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আতা মিয়া কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া চালার বাটনা গ্রামের বাসিন্দা। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও পরিবারের অভাব ঘোচাতে তিনি অটোরিকশা চালাতেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে আড়াল বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা মির্জানগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের শিমুলতলী সড়কের নির্জন এলাকায় যান। সেখানে রাস্তার পাশে এক বৃদ্ধের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
এদিকে আতা মিয়ার মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের মধ্যে কান্নার রোল পড়ে যায়। একমাত্র সন্তানের মৃত্যুর খবর সহ্য করতে না পেরে তাঁর বৃদ্ধা মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তিনিও মারা যান বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
আড়াল বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, আতা মিয়ার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
সময়ের আলো/এসএকে