ঢাকার ধামরাইয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় চাল ও ডালের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে কমেছে বেশির ভাগ সবজির দাম। বিশেষ করে করলা, কাঁচা মরিচ, পটল, পেঁয়াজ ও জালি কুমড়ার দাম কমেছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে ধামরাইয়ের বড় বাজার, কালামপুর, ধানতারা, হাতকোড়া, বারবাড়িয়া, কাওয়ালীপাড়া ও বাথুলিসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৮০ টাকা, হাফ সিদ্ধ চাল ৫৮ টাকা, পাইজাম চাল ৫৬ টাকা, ২৯ জাতের চাল ৫৮ টাকা এবং আতপ চাল ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত পোলাও চালের দাম প্রতি কেজি ২২০ টাকা।
ডালের মধ্যে মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকা, মুগ ডাল ১৬০ টাকা এবং বুটের ডাল ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এসব পণ্যের দামে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি।
সবজির বাজারে প্রতি কেজি আলু ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। পেঁয়াজের দাম কমে ৪৫ টাকা হয়েছে; গত সপ্তাহে ছিল ৫০ টাকা। করলা ৫০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ টাকা। কাঁচা মরিচের দাম কমে ৮০ টাকা হয়েছে, গত সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকা।
এ ছাড়া পটল ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ টাকা। জালিকুমড়া প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
তবে কিছু সবজির দাম বেড়েছে। বেগুনের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ৮০ টাকা হয়েছে, গত সপ্তাহে ছিল ৬০ টাকা। শিম ১২০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে।
বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বেশির ভাগ সবজির দাম কমেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সরবরাহ আরও বাড়তে পারে। এতে সামনে সবজির দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
মাসুদ রানা নামে এক সবজি বিক্রেতা বলেন, বাজারে সবজির সরবরাহ এখন ভালো। তাই কয়েকটি সবজির দাম কমেছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে সামনে দাম আরও কিছুটা কমতে পারে।
বাজার করতে আসা বাবুল হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, চাল-ডালের দাম খুব একটা কমেনি, তবে সবজির কয়েকটি পণ্যের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচ ও পটলের দাম কমেছে।
অন্যদিকে আদা প্রতি কেজি ১৪০ টাকা এবং রসুন ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এ দুটি পণ্যের দামেও পরিবর্তন হয়নি।
ক্রেতারা বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে কিছুটা সন্তোষ প্রকাশ করলেও নিত্যপণ্যের দামের ওপর নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
তবে শনিবার সকালে বাজারগুলোতে পণ্যের দামের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো দৃশ্যমান নজরদারি দেখা যায়নি।
সময়ের আলো/জোই