সর্দি-কাশি, জ্বর বা গলা ব্যথা হলেই অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করেন। কিন্তু সাধারণ ভাইরাল সংক্রমণে এই ওষুধ কাজ করে না। উল্টো অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ওষুধের কার্যকারিতাও কমে যেতে পারে।
ভাইরাসে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ নেই
সাধারণ সর্দি-কাশি, ফ্লু ও তীব্র ব্রঙ্কাইটিসের বেশির ভাগই ভাইরাসজনিত। এসব ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে দ্রুত সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে না। নাকের সর্দি হলুদ বা সবুজ হওয়াও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের প্রমাণ নয়।
শরীরে হতে পারে নানা ক্ষতি
প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খেলে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, ত্বকে র্যাশ ও অ্যালার্জি হতে পারে। পাশাপাশি শরীরের উপকারী জীবাণুর স্বাভাবিক ভারসাম্যও নষ্ট হতে পারে।
বাড়তে পারে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স
বারবার অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে কিছু ব্যাকটেরিয়া ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠতে পারে। তখন প্রয়োজনের সময় সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিকও আর কার্যকর নাও হতে পারে।
কখন প্রয়োজন অ্যান্টিবায়োটিক
কিছু ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়া, মূত্রনালির সংক্রমণ, স্ট্রেপ গলা ব্যথা ও জটিল ত্বকের সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হতে পারে। কোন ওষুধ, কত মাত্রায় ও কত দিন খেতে হবে, তা চিকিৎসক নির্ধারণ করেন।
নিজে থেকে শুরু নয়
আগের প্রেসক্রিপশনের অ্যান্টিবায়োটিক পরে নিজে থেকে খাওয়া বা অন্যের ওষুধ অনুসরণ করা নিরাপদ নয়। সাধারণ সর্দি-কাশিতে বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি পান ও প্রয়োজন অনুযায়ী উপসর্গের চিকিৎসাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র : এনডিটিভি
সময়ের আলো/এমকে