ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন যে ৭ ফল

সময়ের আলো ডেস্ক

ফিচার

ফ্যাটি লিভারের সমস্যা থাকলে খাবারের বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ফাইবার, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার রাখার

2026-08-23T09:33:57+00:00
2026-08-23T09:33:57+00:00
 
  রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬,
৮ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
ফিচার
ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন যে ৭ ফল
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৩ এএম 
সংগৃহীত ছবি
ফ্যাটি লিভারের সমস্যা থাকলে খাবারের বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ফাইবার, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে এমন সাতটি ফলের কথা জানিয়েছেন। তার মতে, সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে এসব ফাইবারসমৃদ্ধ ফল খাওয়া যেতে পারে।

আপেল 

তালিকায় রয়েছে আপেল। এতে পেকটিন নামের দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা হজমের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে। আপেলের সঙ্গে বাদাম খেলে তা ভালো নাশতা হতে পারে বলে জানান ডা. শেঠি।

কিউই

কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা থাকলে কিউই খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। ডা. শেঠি দিনে দুটি কিউই খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ফলটির খোসাও খাওয়া যায়, তবে আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। কিউইয়ে অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা থাকলে এটি এড়িয়ে চলা উচিত।

রাস্পবেরি

ফাইবারসমৃদ্ধ আরেকটি ফল রাস্পবেরি। এটি গ্রিক দই কিংবা ওটমিলের সঙ্গে খাওয়া যায়। এতে বাড়তি চিনি ছাড়াই খাবারে প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও ফাইবার যোগ করা সম্ভব।

ব্লুবেরি

তাজা ব্লুবেরি না পাওয়া গেলে হিমায়িত ফলও ব্যবহার করা যেতে পারে। ডা. শেঠির মতে, হিমায়িত ব্লুবেরিও পুষ্টিগুণের দিক থেকে ভালো বিকল্প এবং অনেক সময় তুলনামূলক সাশ্রয়ী। দই, ওটমিল বা স্মুদির সঙ্গে এটি যোগ করা যায়।

ডালিম

ডালিমের দানা সালাদের সঙ্গে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. শেঠি। এতে সালাদের স্বাদ ও বৈচিত্র্য বাড়ার পাশাপাশি দৈনিক ফল খাওয়ার পরিমাণও বাড়ানো যেতে পারে।

নাশপাতি

ফাইবারের ভালো উৎস হিসেবে নাশপাতিও রাখা যেতে পারে খাদ্যতালিকায়। খোসাসহ খেলে এতে বেশি ফাইবার পাওয়া যায়। তবে খাওয়ার আগে ফলটি ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি।

অ্যাভোকাডো

অন্য অনেক ফলের তুলনায় অ্যাভোকাডোর বৈশিষ্ট্য কিছুটা আলাদা। এতে চিনি তুলনামূলক কম এবং স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত ফ্যাট রয়েছে। মাখন বা ক্রিম চিজের পরিবর্তে হোলগ্রেইন টোস্টের ওপর অ্যাভোকাডো ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন ডা. শেঠি। এতে খাবারে ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যোগ হতে পারে।


তবে ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে শুধু নির্দিষ্ট কোনো ফল বা খাবারের ওপর নির্ভর করাই যথেষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন ডা. শেঠি। সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি শরীরের ওজন, শারীরিক পরিশ্রম ও অন্যান্য স্বাস্থ্যগত বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপেল, কিউই, রাস্পবেরি, ব্লুবেরি, ডালিম, নাশপাতি ও অ্যাভোকাডো সুষম খাদ্যতালিকার অংশ হিসেবে রাখা যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত জটিলতা থাকলে ব্যক্তিগত খাদ্যতালিকা তৈরির আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সময়ের আলো/জেডি 


  বিষয়:   ফ্যাটি লিভার  নিয়ন্ত্রণ  খাদ্যতালিকা  ফল 


Loading...
Loading...
ফিচার- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: