ইরান তার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে কথিত এই হত্যাচেষ্টার সময়, স্থান বা পদ্ধতি সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি। এমনকি তার দুই ছেলে ইয়ার ও আভনারের মধ্যে কাকে লক্ষ্য করা হয়েছিল, সেটিও জানাননি।
সোমবার (২৪ আগস্ট) ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা ঘটেছে। ইরান আমার এক ছেলেকে টার্গেট করেছিল। ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল।’
নেতানিয়াহুর পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। তার স্ত্রী ও দুই ছেলেকে অন্তত পাঁচ বছর নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে শিন বেতের (ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থা) সঙ্গে একটি সমঝোতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পদে তিনি পরাজিত হলেও এই নিরাপত্তা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু।
নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ইয়ার ২০২৪ সাল থেকে দীর্ঘ সময় ধরে মিয়ামিতে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানে তিনি শিন বেতের নিরাপত্তা পেয়েছেন। এ নিয়ে ইসরায়েলি করদাতাদের অর্থ ব্যয়ের প্রশ্নেও বিতর্ক রয়েছে।
এদিকে আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটকে নিরাপত্তা দিতে শিন বেতের অস্বীকৃতি নিয়েও বিতর্ক চলছে। নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি শিন বেতের প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছি এবং প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী যে-ই হোন, তাকে উপযুক্ত নিরাপত্তা দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।’
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের মধ্যেই ছেলেকে হত্যার চেষ্টার এই দাবি সামনে আনলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
সময়ের আলো/এমকে