গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চার বছর বয়সী এক শিশুসহ অন্তত দুই শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) গাজার মধ্যাঞ্চলের বুরেইজ শরণার্থীশিবিরে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় চার বছর বয়সী হাসান আল-হাফি নিহত হয় বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা।
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আমাল নাশআত আবু খাতের নামের আরেক শিশু নিহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহতে সোমবার ভোরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের একটি তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলায় আহত এক ব্যক্তি পরে মারা যান। গত সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় আহত আরও দুজনেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াফা।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার আগে গাজার অন্তত চারটি এলাকায় বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরায়েলি বাহিনী। পরে এসব এলাকায় একটি পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র, একটি মসজিদ এবং মানবিক সহায়তার সামগ্রী রাখা একটি গুদামে হামলা চালানো হয়।
দেইর আল-বালাহ থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক তারেক আবু আজ্জুম জানান, যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এসব স্থানকে নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও নিরাপত্তার অজুহাতে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা বাড়িয়ে চলেছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৪২২ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪০১ জন।
সময়ের আলো/কেএইচ