দ্রুতই প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকালে রাজশাহীতে পিটিআই সভাকক্ষে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষার নতুন নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। এতে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার মানোন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষকদের জন্যও খাত সংশ্লিষ্টদের পে-স্কেল তৈরির কাজ চলছে। এতে সবাই খুশি হবেন।’
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকে প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সার্ভিস দিয়ে ন্যায্য ফি নিতে পারবে। তবে অতিরিক্ত ফি আদায় করলে শক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের মধ্যেই সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পোশাক বিনামূল্যে দেওয়া হবে। পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষার জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষারও ব্যবস্থা করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতি, শিক্ষার্থীর প্রকৃত উপস্থিতি, শেখার অগ্রগতি ও বিদ্যালয়ের কার্যক্রম বাস্তবে কতটা কার্যকর, তা সরাসরি যাচাই করা হবে। মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্রের সঙ্গে দাফতরিক প্রতিবেদনের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করে শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করা হবে। কাগজে ভালো রিপোর্ট নয়, শিক্ষার্থীর বাস্তব শিখনফলই হবে প্রাথমিক শিক্ষার সাফল্যের প্রধান মানদণ্ড।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক ও কার্যকর পরিবর্তন আনতে দেশব্যাপী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের আটটি বিভাগে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের কর্মকর্তাদের নিয়ে ধারাবাহিক কর্মশালা আয়োজন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ময়মনসিংহ, বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহী বিভাগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে খুলনা, রংপুর ও ঢাকা বিভাগেও এসব কর্মশালা সম্পন্ন করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এসব কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হলো- প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় চলমান ও ভবিষ্যৎ সংস্কার সম্পর্কে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অবহিত করা এবং তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবভিত্তিক মতামত গ্রহণ করা।’
সময়ের আলো/কেএইচও