সুস্থ থাকতে খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি। নিয়মিত ঘুমের ঘাটতি হলে শুধু ক্লান্তি নয়, ধীরে ধীরে শরীর ও মনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। দীর্ঘদিন কম ঘুমের অভ্যাস বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
ঘুমের সময় শরীর বিশ্রাম নেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কিছু শারীরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে। মস্তিষ্কও এ সময়ে সারাদিনের তথ্য প্রক্রিয়াজাত ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সংরক্ষণ করে। ফলে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে এসব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ঘুমের ঘাটতির সঙ্গে রাগ, দুশ্চিন্তা ও অবসাদের মতো মানসিক সমস্যার সম্পর্ক রয়েছে। দীর্ঘদিন কম ঘুম হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
এ ছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ফলে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ঘুমের ঘাটতির সঙ্গে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বৃদ্ধিরও সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তাই নিয়মিত কম ঘুমকে স্বাভাবিক অভ্যাস হিসেবে না নিয়ে জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের সাধারণত প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সূত্র : ওয়েব এমডি/হেলথলাইন
সময়ের আলো/এমকে