পটুয়াখালীর বাউফলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী প্রোগ্রামার হাসান গাজীর পরিবারের বিরুদ্ধে। উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের দরোগাবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগ রয়েছে, হাসান গাজীর পরিবারের সঙ্গে রাবেয়া বেগমের জমিজমা বণ্টন সংক্রান্ত একটি মামলা পটুয়াখালীর আদালতে চলমান রয়েছে। এর আগে বিতর্কিত ওই জমিতে ঘর নির্মাণের ওপর উভয় পক্ষের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। পরবর্তীতে আদালতে আবেদন করে পুরোনো ঘরের সংস্কারকাজের অনুমতি নেন হাসান গাজীর পরিবার। তবে সংস্কারকাজের অনুমতি নিলেও পুরোনো ঘর ভেঙে সেখানে একতলা পাকা ভবন নির্মাণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্মাণকাজ চলাকালে পুলিশ বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে রাতের আঁধারে ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
এ বিষয়ে বাউফল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম বলেন, আদালত থেকে কেবল ঘর সংস্কারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা সেখানে নতুন পাকা বসতঘর নির্মাণ করছিলেন। ৯৯৯-এ কল পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে তাদের কাজ করতে নিষেধ করা হলেও তারা তা অমান্য করে ভবন নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধানের জন্য ভুক্তভোগীকে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে হাইকোর্টের সহকারী প্রোগ্রামার হাসান গাজী মুঠোফোনে বলেন, আমার বাবা আদালতের অনুমতি নিয়ে সংস্কারের কাজ করেছেন নাকি অন্য কিছু করেছেন, সেটার সঙ্গে আমি সরাসরি সম্পর্কিত নই। তাছাড়া রাবেয়া বেগম গং বণ্টন মামলা করলেও প্রতি শুনানিতে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ের আবেদন করে কালক্ষেপণ করছেন। এদিকে আমাদের পুরোনো ঘর ভেঙে পড়ে গেছে। বণ্টন মামলা যদি ৫০ বছর ধরে চলে, তবে এই দীর্ঘ সময় আমরা কী রাস্তায় থাকবো?
সময়ের আলো/জোই