ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলা কঠিন হলেও কিছু কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজের ডিজিটাল পদচিহ্ন অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। পুরোনো অ্যাকাউন্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য এ ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করে।
প্রথমে গুগলসহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে নিজের নাম, ফোন নম্বর বা ইমেইল ঠিকানা লিখে খুঁজে দেখতে হবে। কোথায় কোথায় ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে আছে, তা শনাক্ত করার পর সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে তথ্য অপসারণের অনুরোধ করা যায়।
তথ্য সংগ্রহ ও বিক্রি করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও একইভাবে অপসারণের অনুরোধ জানানো সম্ভব। প্রয়োজনে ‘ডিলেট মি’-এর মতো ডেটা রিমুভাল সার্ভিস ব্যবহার করা যায়।
পুরোনো অনলাইন অ্যাকাউন্টও ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বহু বছর আগে খোলা কিন্তু বর্তমানে ব্যবহার না করা অ্যাকাউন্টগুলো খুঁজে বের করে স্থায়ীভাবে মুছে ফেলা উচিত। এ কাজে ‘বিটওয়ার্ডেন’-এর মতো টুল সহায়ক হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পুরোনো পোস্ট, ছবি ও ট্যাগও পর্যালোচনা করা জরুরি। প্রয়োজন না থাকলে পুরোনো পোস্ট মুছে ফেলতে হবে এবং অন্যের পোস্টে থাকা ট্যাগ সরিয়ে দিতে হবে। ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের মতো সক্রিয় অ্যাকাউন্টে গোপনীয়তা সেটিংস আরও কঠোর করা যেতে পারে।
তবে সরকারি নথি, জন্মনিবন্ধন বা ভোটার তালিকার মতো তথ্য সবসময় মুছে ফেলা সম্ভব নয়। তাই ইন্টারনেট থেকে নিজের সব তথ্য শতভাগ মুছে ফেলা বাস্তবে সম্ভব না হলেও সতর্ক হলে ডিজিটাল উপস্থিতি কমানো যায়।
সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস
সময়ের আলো/এমকে