পুরোনো স্মার্টফোন ধীর হয়ে যাওয়া বা বারবার হ্যাং করা খুবই স্বাভাবিক। তবে কয়েকটি সহজ পদক্ষেপ নিলে নতুন ফোন কেনার প্রয়োজন না-ও হতে পারে।
ফোনের গতি বাড়াতে প্রথমেই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ, গেম ও বড় ফাইল সরিয়ে ফেলুন। দীর্ঘদিন ব্যবহার না করা অ্যাপগুলো শুধু স্টোরেজ দখল করে না, ব্যাকগ্রাউন্ডেও ফোনের র্যাম ও ব্যাটারির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে।
ইন্টারনাল স্টোরেজ প্রায় পূর্ণ হয়ে গেলে ফোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাই ছবি, ভিডিও, ডাউনলোড ও পুরোনো নথি যাচাই করে প্রয়োজনহীন ফাইল মুছে ফেলুন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ক্লাউড বা মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করতে পারেন।
নিয়মিত ব্যবহৃত অ্যাপের জমে থাকা ক্যাশও পরিষ্কার করা দরকার। তবে ‘ক্লিয়ার ডাটা’ ব্যবহারের আগে সতর্ক থাকতে হবে। এতে অ্যাপের লগইন তথ্য ও সংরক্ষিত কিছু সেটিংস মুছে যেতে পারে।
ফোনের পারফরম্যান্স বাড়াতে লাইভ ওয়ালপেপার, অতিরিক্ত উইজেট ও অপ্রয়োজনীয় অ্যানিমেশন বন্ধ করুন। প্রয়োজনে ‘ডেভেলপার অপশন’ থেকে অ্যানিমেশন স্কেল কমিয়ে দিতে পারেন। একই সঙ্গে ব্যাকগ্রাউন্ডে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ চালু না রাখাই ভালো।
ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপগুলো আপডেট রাখুন। নিয়মিত রিস্টার্ট করলেও সাময়িক পারফরম্যান্স সমস্যা কমতে পারে।
সবকিছুর পরও সমস্যা থাকলে শেষ উপায় হিসেবে ফ্যাক্টরি রিসেট করা যেতে পারে। তবে এর আগে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব তথ্যের ব্যাকআপ নিতে হবে। পুরোনো ব্যাটারি দুর্বল হয়ে গেলেও ফোন ধীর হতে পারে। তাই সমস্যা স্থায়ী হলে সার্ভিস সেন্টারে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করানো ভালো।
সময়ের আলো/এমকে