রাজধানীর উত্তরায় তীব্র গ্যাস সংকটে বিপাকে পড়েছেন যানবাহনের চালকেরা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার প্রাইভেট কার ও সিএনজি পাম্পগুলোতে দেখা যাচ্ছে গাড়ির দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই গ্যাস পাচ্ছেন না।
সোমবার (৩১ আগস্ট) উত্তরা ও আশপাশের এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।
অনেক চালক বলছেন, গ্যাস সংকটের কারণে দিনের বেশিরভাগ সময় পাম্পের লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে আয় কমে যাচ্ছে।
প্রাইভেট কারচালক জসিম বলেন, ‘ভোর ৫টা থেকে লাইনে আছি, এখনো গ্যাস পাইনি। কীভাবে বাসা ভাড়া দিব, বুঝতে পারছি না।’
অপর সিএনজিচালক করিম জানান, প্রতিদিন মহাজনকে জমা দিতে হয় ১ হাজার ২০০ টাকা। গ্যাস লাগে প্রায় ৫০০ টাকার। এর বাইরে সারাদিনে আমারও ২০০ থেকে ২৫০ টাকা খরচ আছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা খরচ হয়। গ্যাস না পাওয়ায় গত দুই মাস ধরে আয় বন্ধ।
গ্যাস সংকটের বিষয়ে এম এ মাসুদ ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার কামাল এক গণমাধ্যমকে জানান, বেশ কিছুদিন আগেও স্টেশনে পর্যাপ্ত গ্যাস ছিল। এরপর মাঝখানে কয়েক দিন গ্যাস একেবারেই পাওয়া যায়নি। গতকাল রাতে কিছুটা গ্যাস সরবরাহ হলেও আবারও সংকট দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নিয়মিতভাবে সিগন্যাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত চাপের গ্যাস নেই। আমাদের স্টেশনের বাল্ব কম প্রেসারে ওপেন হয় না। ফলে, যেসব স্টেশনের বাল্ব কম প্রেসারেও চালু হয়, তারাই কিছুটা গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছে।’
বিকেলের দিকে গ্যাসের চাপ কিছুটা বাড়তে শুরু করে বলেও জানান তিনি।
সময়ের আলো/মহু