কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে মানবপাচারের জটিলতা নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার সাংকংহে ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইয়াসমিন আক্তার অধরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুলের এশিয়ান নন-গভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশনস প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।
এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ইয়াসমিন বলেন, এই স্বীকৃতি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। একই সঙ্গে এটি আমার জন্য বড় দায়িত্বেরও বিষয়। মানবপাচার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর একটি কঠিন বাস্তবতা। সেই বাস্তবতার গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক নিয়ে গবেষণার সুযোগ আমার জন্য অনেক অর্থবহ ছিল।
গত ১৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়টির ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানে ২৫৪ জন শিক্ষার্থীকে এই ডিগ্রি দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ১৮৮ জন স্নাতক এবং ৬৬ জন স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১৩ শিক্ষার্থী প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পান। গ্র্যাজুয়েট স্কুলের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ইয়াসমিনের হাতে এই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়।
তার থিসিসের মূল বিষয় ছিল কক্সবাজারের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা, চলাচলের সীমাবদ্ধতা এবং মানবিক সহায়তার সঙ্গে মানবপাচারের ঝুঁকিপূর্ণ সম্পর্ক।
সময়ের আলো/আতা