বৈধ কাগজপত্র নেই। আবার কারও বৈধ কর্ম-অনুমতিপত্র থাকলেও কাজ করছেন অন্য কোম্পানিতে। বিদেশি কর্মী নিয়োগে এমন অনিয়মের চিত্র ধরা পড়েছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযানে। সেই অভিযানে বাংলাদেশিসহ ১৭৫ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে দেশটির ইপোহ এলাকায় অবৈধ অভিবাসীদের আটক করতে অভিবাসন কর্মকর্তারা একটি দরজা তৈরির কারখানার কাছে পৌঁছালে বিদেশি শ্রমিকরা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে। এসময় বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহতও হন।
এছাড়া, ধরা পড়া এড়াতে কিছু বিদেশিকে উঁচু করে রাখা কাঠের তক্তার মাঝে শুয়ে থাকতে দেখেন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা। অন্যরা শিল্পবর্জ্যের পাত্র ও আলমারির মধ্যে লুকানোর চেষ্টা করেছিল, যার ফলে তাদের পোশাক ছিঁড়ে যায়।
কারখানার সীমানা প্রাচীর টপকানোর জন্য অনেকেই চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ব্যর্থ হয়। কারণ, প্রাচীরগুলো ছিল অনেক উঁচু এবং তাতে কাঁটাতার লাগানো ছিল।
অভিবাসন মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় চেমোরের বারচাম ও কানথানে কাঠ কারখানা, গ্লাভস কারখানা এবং ফুড কোর্টগুলোকে লক্ষ্য করে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযানে ১৭৫ জনকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সন্দেহে আটক করা হয়েছে। আটককৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই বাংলাদেশের নাগরিক এবং এদের মধ্যে মিয়ানমার ও ভিয়েতনামের নাগরিকও ছিলেন।’
জাকারিয়া শাবান আরও বলেন, ‘তাদের বেশিরভাগই নথিপত্রহীন ও বৈধ অনুমতিপত্র না থাকা সত্ত্বেও চাকরিতে নিযুক্ত থাকার মতো অপরাধ করেছে। বেশ কয়েকজন ভুয়া অস্থায়ী কর্মসংস্থান ও ভ্রমণ পাস ব্যবহারকারীও ছিল।’
সময়ের আলো/মহু