চ্যাম্পিয়নস লিগে দারুণ এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে ভিয়ারিয়ালকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে পাঁচ গোলের নাটক দেখা যায়। শেষ মুহূর্তের আত্মঘাতী গোলেই নিশ্চিত হয় ডর্টমুন্ডের জয়।
সিগনাল ইদুনা পার্কে প্রথমার্ধে দুই দলই আক্রমণ করেছে, তবে গোলের দেখা পায়নি কেউ। বিরতির পর অবশ্য ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। ৫৩ মিনিটে রেনাতো ভেইগার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় ডর্টমুন্ড।
তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৬৬ মিনিটে জর্জেস মিকাউতাদজের সহায়তায় গোল করে ভিয়ারিয়ালকে সমতায় ফেরান সান্তিয়াগো মরিনো। ১-১ হওয়ার পর ম্যাচের উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফের নিজেদের হাতে নেয় ডর্টমুন্ড। ৮০ মিনিটে ফেলিক্স সিলভার সহায়তায় গোল করে স্বাগতিকদের আবারও এগিয়ে দেন সেরহু গিরাসি। পাঁচ মিনিট পরই পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই গিনিয়ান স্ট্রাইকার। ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে জয় তখন প্রায় নিশ্চিতই মনে হচ্ছিল ডর্টমুন্ডের।
কিন্তু ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নাটক জমে ওঠে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে গিরাসির আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমিয়ে ৩-২ করে ভিয়ারিয়াল। শেষ কয়েক মিনিটে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করলেও আর গোল পায়নি স্প্যানিশ ক্লাবটি।
পরিসংখ্যানেও দুই দলের লড়াই ছিল বেশ সমানে সমান। ডর্টমুন্ডের বল দখল ছিল ৫৩ শতাংশ, ভিয়ারিয়ালের ৪৭ শতাংশ। স্বাগতিকরা ১৭টি শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে। বিপরীতে ভিয়ারিয়ালের ১৩ শটের ৭টি ছিল লক্ষ্যে। তবে গোলের সুযোগ তৈরিতে ডর্টমুন্ডই এগিয়ে ছিল, তাদের প্রত্যাশিত গোলের হিসাব ২.৮৯, ভিয়ারিয়ালের ১.৪৭।
শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের যাত্রা শুরু করল ডর্টমুন্ড। ম্যাচের নায়ক গিরাসি নিজে দুই গোল করলেও শেষ মুহূর্তে তাঁর আত্মঘাতী গোলই ভিয়ারিয়ালকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই বিপদ কাটিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয় জার্মান ক্লাবটি।
সময়ের আলো/টিকে