অ্যালগরিদমের জীবন : ডিজিটাল যুগের দাসত্ব

হাবিবুর রহমান সাগর

মতামত

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং এটি কোনো কাল্পনিক বিষয় নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জেনারেল ডেটা

2026-09-09T06:06:25+00:00
2026-09-09T06:06:25+00:00
 
  বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মতামত
অ্যালগরিদমের জীবন : ডিজিটাল যুগের দাসত্ব
হাবিবুর রহমান সাগর
প্রকাশ: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৬ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং এটি কোনো কাল্পনিক বিষয় নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জেনারেল ডেটা প্রোটেকশন রেগুলেশন, ডিজিটাল মার্কেটস অ্যাক্ট এবং সাম্প্রতিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যাক্ট এসবই তৈরি হয়েছে ঠিক এই কারণে যে, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষমতা জাতীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রেও প্রতিযোগিতা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একচেটিয়া কারবারের অভিযোগে একের পর এক মামলা করছে।

এই প্রেক্ষাপটে বলা প্রয়োজন যে, সমস্যাটি কোনো গোপন ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর নয় বরং এটি একটি কাঠামোগত সমস্যা। যখন হাতেগোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিশ্বের তথ্য-অবকাঠামো, ক্লাউড কম্পিউটিং সক্ষমতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল তৈরির প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করে, তখন স্বাভাবিকভাবেই বাজার ও নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তাদের প্রভাব অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বেড়ে যায়। এটি গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার জন্য একটি বাস্তব চ্যালেঞ্জ, যা মোকাবিলা করতে হবে আইন, নীতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে, রহস্যময় তত্ত্ব দিয়ে নয়।

Advertisement
গোপনীয়তা : একটি ক্রমহ্রাসমান অধিকার

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মানবাধিকারের একটি মৌলিক অংশ হিসেবে স্বীকৃত। জাতিসংঘের মানবাধিকার ঘোষণাপত্রেও এই অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। কিন্তু ডিজিটাল যুগে এই অধিকার ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে। স্মার্টফোন আমাদের অবস্থান জানে, স্মার্ট স্পিকার আমাদের কথোপকথন শোনে, ব্রাউজিং হিস্ট্রি আমাদের আগ্রহ-অনাগ্রহ প্রকাশ করে দেয়, আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের সম্পর্ক ও রাজনৈতিক অবস্থান পর্যন্ত অনুমান করে ফেলতে পারে।

এই তথ্যপ্রবাহ যখন যথাযথ সুরক্ষা ছাড়া তৃতীয় পক্ষের হাতে চলে যায়, তখন তা শুধু বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহৃত হয় না, কখনো কখনো তা রাজনৈতিক প্রচার প্রভাবিত করতে, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর নজরদারি চালাতে, এমনকি ভিন্নমতাবলম্বীদের চিহ্নিত করে হয়রানি করতেও ব্যবহৃত হয়েছে বলে একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। পেগাসাস স্পাইওয়্যার কেলেঙ্কারি এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যেখানে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও অধিকারকর্মীদের ফোনে আড়িপাতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে যে, গোপনীয়তার প্রশ্নটি আজ আর তাত্ত্বিক আলোচনার বিষয় নয়, বরং এটি বাস্তব ও তাৎক্ষণিক ঝুঁকি।

মানবিক মূল্যবোধ ও প্রযুক্তির সীমারেখা 

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে নৈতিক প্রশ্নগুলোও জটিল হয়ে উঠছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যখন চাকরির সাক্ষাৎকার মূল্যায়ন করে, ঋণ অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেয়, কিংবা ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় ঝুঁকি নিরূপণে ব্যবহৃত হয়, তখন এই সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে যদি অন্তর্নিহিত পক্ষপাত থেকে যায়, তবে তা সমাজে বিদ্যমান বৈষম্যকেই আরও গভীর করে তোলে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রশিক্ষণ তথ্যে যদি ঐতিহাসিক বৈষম্য থেকে যায়, তা হলে এআই ব্যবস্থাও সেই বৈষম্যকে পুনরুৎপাদন করে কখনো কখনো তা আরও বৃহৎ পরিসরে ও দ্রুতগতিতে।


এখানেই প্রশ্ন ওঠে জবাবদিহিতার। একটি অ্যালগরিদম যখন কারও জীবন প্রভাবিত করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সেই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেওয়ার এবং তা চ্যালেঞ্জ করার অধিকার নাগরিকের থাকা উচিত। ‘এক্সপ্লেইনেবল এআই’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা চলছে ঠিক এই কারণেই— যাতে প্রযুক্তি একটি অস্বচ্ছ ‘ব্ল্যাক বক্স’ হিসেবে না থেকে মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে পারে।

নিউরাল প্রযুক্তি ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন

মস্তিষ্ক-কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তি এখনও তুলনামূলক প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও এর দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা ও ঝুঁকি নিয়ে বিজ্ঞানী মহলে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের চলাফেরায় সহায়তা কিংবা স্নায়বিক রোগ নিরাময়ে এই প্রযুক্তির সম্ভাবনা সত্যিকারের আশাব্যঞ্জক। তবে একই সঙ্গে ‘নিউরাল ডেটা’ অর্থাৎ মস্তিষ্কের সরাসরি তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহারের নৈতিক সীমারেখা নিয়ে এখনই স্পষ্ট নীতিমালা তৈরি করা জরুরি বলে বায়োএথিক্স বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন। চিলির মতো কিছু দেশ ইতিমধ্যে ‘নিউরোরাইটস; বা মস্তিষ্ক-সংক্রান্ত অধিকার সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে, যা ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হতে পারে।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— এই প্রযুক্তিগুলোকে ভয় পেয়ে প্রত্যাখ্যান করার পরিবর্তে শুরু থেকেই এর সঙ্গে যথাযথ নৈতিক কাঠামো ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যুক্ত করা। প্রযুক্তি নিজে ভালো বা মন্দ নয়; তার প্রয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের ওপরই নির্ভর করে তা মানুষের কল্যাণে কাজ করবে, নাকি ক্ষতির কারণ হবে।

রাষ্ট্র, নাগরিক ও দায়বদ্ধতা

এই আলোচনায় রাষ্ট্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেসব দেশে ডেটা সুরক্ষা আইন শক্তিশালী এবং স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা কার্যকর, সেসব দেশে নাগরিকদের অধিকার তুলনামূলকভাবে বেশি সুরক্ষিত। বিপরীতে, যেসব দেশে এ ধরনের আইনি কাঠামো দুর্বল বা অনুপস্থিত, সেখানে নাগরিকরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং কখনো কখনো রাষ্ট্রীয় নজরদারির শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষা নিয়ে আইনি কাঠামো এখনও বিকাশমান পর্যায়ে রয়েছে। এ অঞ্চলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু সেই তুলনায় ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং তথ্য সুরক্ষা সম্পর্কে জনসচেতনতা এখনও পর্যাপ্ত নয়। এই বাস্তবতায় নীতিনির্ধারকদের উচিত এমন আইন প্রণয়ন করা, যা একদিকে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির অগ্রগতিকে উৎসাহিত করবে, অন্যদিকে নাগরিকের গোপনীয়তা ও মৌলিক অধিকারকেও সুরক্ষা দেবে।

ডিজিটাল যুগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো ভুল তথ্য ও অপতথ্যের দ্রুত বিস্তার। অ্যালগরিদমচালিত প্ল্যাটফর্মগুলোতে সংবেদনশীল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রায়ই সঠিক ও যাচাইকৃত তথ্যের চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কারণ এ ধরনের কনটেন্ট বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং বেশি মিথস্ক্রিয়া তৈরি করে। এর ফলে সমাজে বাস্তবতা সম্পর্কে সাধারণ ঐকমত্য গড়ে তোলা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।

এই প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যম সাক্ষরতা এবং সমালোচনামূলক চিন্তার গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি। প্রতিটি নাগরিকের উচিত যেকোনো তথ্যের উৎস যাচাই করা, একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং আবেগনির্ভর বা অতিরঞ্জিত দাবির ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা। এমনকি প্রযুক্তি ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা প্রয়োজন প্রকৃত, প্রমাণভিত্তিক উদ্বেগ এবং যাচাই না হওয়া ষড়যন্ত্র তত্ত্বের মধ্যে পার্থক্য করতে জানা জরুরি। বাস্তব সমস্যাগুলোর তথ্য একচেটিয়াকরণ, নজরদারি, অ্যালগরিদমিক পক্ষপাত এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে এগুলোকে অতিরঞ্জিত বা অপ্রমাণিত দাবির সঙ্গে মিশিয়ে ফেললে প্রকৃত সমাধানের পথ থেকেই আমরা বিচ্যুত হয়ে পড়ি।

সমাধানের পথ : কী করা যেতে পারে

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বহুমুখী পদক্ষেপ প্রয়োজন। প্রথমত শক্তিশালী ও কার্যকর তথ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে, যেখানে ব্যবহারকারীর সুস্পষ্ট সম্মতি ছাড়া তার তথ্য সংগ্রহ বা ব্যবহার করা যাবে না এবং লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর জবাবদিহিতার ব্যবস্থা থাকবে। দ্বিতীয়ত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে একচেটিয়া কারবারবিরোধী আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি, যাতে বাজারে ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ রোধ করা যায়।

তৃতীয়ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে বিশেষত যেসব ক্ষেত্রে এআই মানুষের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়। চতুর্থত ডিজিটাল বিভাজন কমাতে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারণে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন, যাতে প্রযুক্তির সুফল কেবল উন্নত বিশ্বেই সীমাবদ্ধ না থাকে। পঞ্চমত শিক্ষাব্যবস্থায় ডিজিটাল সাক্ষরতা ও তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি এর ঝুঁকিগুলোও বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সবশেষে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য। যেহেতু প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রবাহ জাতীয় সীমানা মানে না, তাই এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। 

জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে বৈশ্বিক মানদণ্ড ও সমন্বিত নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ আরও জোরদার হওয়া প্রয়োজন। প্রযুক্তি নিজে কোনো শত্রু নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডেটা ও ডিজিটাল যোগাযোগব্যবস্থা মানবসভ্যতাকে অভূতপূর্ব সুযোগ এনে দিয়েছে— স্বাস্থ্যসেবা থেকে শিক্ষা, কৃষি থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সর্বত্র এর ইতিবাচক প্রভাব বিদ্যমান। প্রকৃত প্রশ্নটি হলো— এই শক্তিশালী প্রযুক্তি কার হাতে থাকবে, কীভাবে ব্যবহৃত হবে এবং তার ওপর কতটা গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা বজায় থাকবে।

ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে, যেকোনো শক্তিশালী প্রযুক্তি বা সম্পদ যখন নিয়ন্ত্রণহীনভাবে কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়, তখন তা অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই প্রয়োজন সচেতন নাগরিক সমাজ, শক্তিশালী আইনি কাঠামো, স্বচ্ছ প্রযুক্তিনীতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যাতে ডিজিটাল বিপ্লবের সুফল সবার কাছে পৌঁছায়, অথচ এর ঝুঁকি থেকে সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষিত থাকে। প্রযুক্তির গতিপথ নির্ধারণের ক্ষমতা শেষ পর্যন্ত মানুষেরই হাতে থাকা উচিত— কোনো একচেটিয়া প্রতিষ্ঠান বা কল্পিত গোপন গোষ্ঠীর হাতে নয়, বরং সচেতন, সংগঠিত ও দাবি জানাতে সক্ষম নাগরিক সমাজের হাতে। এই ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলেই আমরা প্রযুক্তিকে দাসত্বের নয়, বরং মুক্তির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারব।

শিক্ষার্থী, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 
  বিষয়:   অ্যালগরিদম  জীবন  ডিজিটাল দাসত্ব  মতামত 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: