রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সোলাইমান পাটোয়ারী নামে সার ডিলারের গুদামে ৮১৭ বস্তা সার মজুত পাওয়ার পর তাকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত গুদামে থাকা সার গণনা করে ৬১৬ বস্তা এমওপি ও ২০১ বস্তা টিএসপি পাওয়া যায়।
সোলাইমান পাটোয়ারী বিসিআইসি ও বিএডিসির সার ডিলার। গোদাগাড়ী সদর এলাকার ডাইংপাড়ায় তার প্রতিষ্ঠান মেসার্স কৃষি ঘরে এই অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মেসার্স কৃষি ঘরে অভিযান শুরু হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সার মজুত ও বিক্রির বিষয়ে সোলাইমান পাটোয়ারীকে গত দুমাসে ৩ বার সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও তার গুদামে বিপুল পরিমাণ সার মজুত পাওয়া যায়।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ডিলারদের গুদামে সারের মজুত, সরবরাহ ও বিক্রির বিষয়ে নির্ধারিত নিয়ম মানার কথা। বিশেষ করে কৃষকের চাহিদার সময় যাতে বাজারে সারের সংকট তৈরি না হয়, সে জন্য মজুত ও বিক্রির ওপর নজরদারি করা হয়।
তাই নিয়ম না মানার কারণে সোলাইমান পাটোয়ারীকে ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, ‘কেউ অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা কৃষকদের হয়রানি করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিলারদের গুদাম ও বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান ও তদারকি অব্যাহত থাকবে।’
সময়ের আলো/মহু