চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফলে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২৫৫ জন পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন আরও ২৯৩ জন। পুনর্নিরীক্ষণের পর মোট ১ হাজার ৫৪৯ জন পরীক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়। বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশের পাশাপাশি আবেদনকারীদের মুঠোফোন নম্বরে খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল জানানো হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা পরীক্ষার্থীদের ৫ হাজার ৯৪৪টি বিষয়ের উত্তরপত্রে নম্বর পরিবর্তন বা সংশোধন হয়েছে। এতে ১ হাজার ৫৪৯ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়। তাদের মধ্যে ২৫৫ জন আগে অকৃতকার্য হলেও পুনর্নিরীক্ষণের পর পাস করেছেন। আর ২৯৩ জন পরীক্ষার্থী নতুন করে সর্বোচ্চ গ্রেড জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে ৪০ হাজার ১২০ জন পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন। এসব পরীক্ষার্থী মোট ১ লাখ ৩ হাজার ৫০৩টি বিষয়ের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছিলেন।
পুনর্নিরীক্ষণের পর এসব উত্তরপত্রে নম্বর সংশোধনের ফলে ১ হাজার ৫৪৯ জন পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ২৫৫ জন ফেল থেকে পাস করেছেন এবং ২৯৩ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
এর আগে ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে মূল ফল প্রকাশের ৩১ দিন পর পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হলো। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শেষ হয়েছিল ১৭ আগস্ট রাতে। আবেদন শেষ হওয়ার ২৪ দিন পর প্রকাশ করা হলো সংশোধিত ফল।
সময়ের আলো/এসএকে