ফাইনালে উঠতে দরকার ১৫০ রান। সামনে প্রতিপক্ষ ভারত—যাদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রেকর্ড খুব একটা সুখকর নয়। মেয়েদের এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে তাই এখন বড় পরীক্ষার সামনে নিগার সুলতানার দল। দুবাইয়ে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৯ রান তুলেছে ভারত।
শুরুতেই অবশ্য ভারতকে চাপে ফেলেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারেই সুলতানা খাতুনের বলে স্বর্ণা আক্তারের ক্যাচে মাত্র ২ রান করে ফেরেন স্মৃতি মান্ধানা। কিন্তু এরপর শেফালি ভার্মার ঝোড়ো ব্যাটিং ম্যাচের চিত্র বদলে দেয়।
দুটি ক্যাচের সুযোগ পেয়েও শেফালিকে ফেরাতে পারেনি বাংলাদেশ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৪০ বলে ৬৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলেছেন ভারতের এই ওপেনার। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা। প্রতীকা রাওয়ালের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৫০ রানের জুটিও গড়েন তিনি।
প্রতীকা ২৪ বলে ২০ রান করে রাবেয়া খানের বলে দিলারা আক্তারের ক্যাচে ফেরেন। এরপর ১৪তম ওভারে শেফালিকেও ফিরিয়ে ভারতকে আবার চাপে ফেলে বাংলাদেশ। তবে শেষ দিকে হারমানপ্রীত কৌর, রিচা ঘোষ ও দীপ্তি শর্মার ব্যাটে ভালো সংগ্রহ পেয়ে যায় ভারত।
হারমানপ্রীত ২৮ বলে অপরাজিত ২৪ রান করেন। রিচা ঘোষ ১৬ বলে ২১ এবং দীপ্তি শর্মা মাত্র ৬ বলে করেন ১৩ রান। শেষ পাঁচ ওভারে ৫৩ রান যোগ করে ভারত পৌঁছে যায় ১৪৯ রানে।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সুলতানা খাতুন ৩ ওভারে ৩০ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। রাবেয়া খান ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে এবং নাহিদা আক্তার ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে একটি করে উইকেট শিকার করেন। মারুফা আক্তারও পান একটি উইকেট।
ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে এখন বাংলাদেশকে ২০ ওভারে করতে হবে ১৫০ রান। অর্থাৎ শুরু থেকেই হিসাবি ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ভারতের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ সামলানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ নিগারদের সামনে।
সময়ের আলো/টিকে