২১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( জিএসটি গুচ্ছ ) আসন্ন ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে এবার পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি)। নতুন প্রতিষ্ঠিত আরও তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ও যোগ হতে পারে তালিকায়।
১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার অন্তর্ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভাইস - চ্যান্সেলরদের সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানিয়েছেন, পবিপ্রবির ভাইস- চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।
ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও অন্যান্য বিষয়াবলি আগামী বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে বলে আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।
সর্বশেষ ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের জিএসটি ( জেনারেল, সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলোজি) গুচ্ছ ভর্তি ব্যবস্থায় ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্ভাব্য তালিকা
১. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় — কুষ্টিয়া
২. মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — টাঙ্গাইল
৩. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — পটুয়াখালী
৪. নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — নোয়াখালী
৫. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় — ময়মনসিংহ
৬. যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — যশোর
৭. পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — পাবনা
৮. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় — রংপুর
৯. গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — গোপালগঞ্জ
১০. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় — বরিশাল
১১. রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — রাঙ্গামাটি
১২. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ — সিরাজগঞ্জ
১৩. ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ — গাজীপুর
১৪. নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয় — নেত্রকোণা
১৫. জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — জামালপুর
১৬. চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — চাঁদপুর
১৭. কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় — কিশোরগঞ্জ
১৮. সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — সুনামগঞ্জ
১৯. পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — পিরোজপুর
২০. নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় — নওগাঁ
২১. লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — লক্ষ্মীপুর
২২. নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — নারায়ণগঞ্জ
২৩. ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — ঠাকুরগাঁও
২৪. সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — সাতক্ষীরা
সময়ের আলো/আতা