বাংলাদেশে গিগ ইকোনমির উন্নয়নে প্রয়োজন দক্ষতা বৃদ্ধি কার্যক্রম

গোলাম জিলানী

মতামত

গিগ ইকোনমি কর্মসংস্থানের প্রচলিত ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ করছে। একসময় তরুণদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ভালো চাকরি পাওয়া। এখন তারা ভাবে দক্ষতা দিয়ে

2026-09-14T12:13:26+00:00
2026-09-14T12:13:26+00:00
 
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মতামত
বাংলাদেশে গিগ ইকোনমির উন্নয়নে প্রয়োজন দক্ষতা বৃদ্ধি কার্যক্রম
গোলাম জিলানী
প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
গিগ ইকোনমি কর্মসংস্থানের প্রচলিত ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ করছে। একসময় তরুণদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ভালো চাকরি পাওয়া। এখন তারা ভাবে দক্ষতা দিয়ে কোথায় কাজ পাওয়া যাবে, চাকরি নয়! একজন ফ্রিল্যান্সার একই সময়ে একাধিক ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করতে পারে। একজন ডেলিভারি কর্মী একাধিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ কর্মসংস্থান এখন শুধু চাকরিদাতার দেওয়া সুযোগের ওপর নির্ভর করছে না বরং ব্যক্তি নিজেও তার দক্ষতাকে একটি মার্কেটেবল সার্ভিস হিসেবে উপস্থাপন করছেন। এটাই গিগ ইকোনমির চমক।

এক সকালে ঢাকার মিরপুরের একজন তরুণ মোটরসাইকেল নিয়ে বের হলেন। তিনি কোনো প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী কর্মী নন। মোবাইল অ্যাপ খুলে যখন কারও অনুরোধ পান, তখন যাত্রী পরিবহন করেন। অন্যদিকে রাজশাহীর একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাতে বিদেশি একজন ক্লায়েন্টের জন্য গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করেন। আবার সিলেটের একজন তরুণ নিজের ঘরে বসে ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করছেন। তিনজনের কাজের ধরন আলাদা হলেও একটি বিষয়ে তাদের মিল রয়েছে। প্রচলিত অর্থে চাকরি করছেন না তারা, তিনজনই নিজেদের সময়, শ্রম ও দক্ষতাকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে উপার্জন করছেন। এই পরিবর্তিত কর্মজগতের নাম গিগ ইকোনমি।

গিগ ইকোনমি এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে স্থায়ী চাকরির পরিবর্তে কোনো ব্যক্তি স্বল্পমেয়াদি, প্রকল্পভিত্তিক, চুক্তিভিত্তিক বা নির্দিষ্ট কাজের বিনিময়ে আয় করেন। ফ্রিল্যান্সিং, রাইড-শেয়ারিং, ফুড ও পণ্য ডেলিভারি, অনলাইন টিউটরিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, কনটেন্ট তৈরি এবং বিভিন্ন অন-ডিমান্ড সেবা এর অন্তর্ভুক্ত। অনেক দেশের মতো আমাদের দেশেও গিগ ইকোনমি ধীরে ধীরে শ্রমবাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। সোশ্যাল সিকিউরিটি পলিসি সাপোর্ট প্রোগ্রাম-২০২৬ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় ছয় লাখ পঞ্চাশ হাজার সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং বাজার প্রায় পাঁচশ মিলিয়ন ডলারের এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা এক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। এতে যারা যুক্ত তাদের আটাত্তর শতাংশের বয়স আঠারো থেকে ত্রিশের মধ্যে।

চিরাচরিত চাকরির ধারণার পরিবর্তন : গিগ ইকোনমি শুধু নতুন কিছু কাজ তৈরি করছে না, এটি কর্মসংস্থানের প্রচলিত ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ করছে। একসময় তরুণদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ভালো চাকরি পাওয়া। এখন তারা ভাবে দক্ষতা দিয়ে কোথায় কাজ পাওয়া যাবে, চাকরি নয়! একজন ফ্রিল্যান্সার একই সময়ে একাধিক ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করতে পারে। একজন ডেলিভারি কর্মী একাধিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ কর্মসংস্থান এখন শুধু চাকরিদাতার দেওয়া সুযোগের ওপর নির্ভর করছে না বরং ব্যক্তি নিজেও তার দক্ষতাকে একটি মার্কেটেবল সার্ভিস হিসেবে উপস্থাপন করছেন। এটাই গিগ ইকোনমির চমক!

বাংলাদেশের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ : বর্তমানে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা পাচ্ছে অর্থাৎ জনসংখ্যার অধিকাংশই তরুণ জনগোষ্ঠী। প্রতি বছর প্রায় বাইশ-তেইশ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। প্রচলিত ব্যবস্থায় তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না। তরুণদের একাংশ সরকারি চাকরির জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নিচ্ছে, আরেকটি অংশ অনানুষ্ঠানিক খাত বা গিগ ইকোনমির দিকে ঝুঁকছে। এ ব্যবস্থায় একজন তরুণকে কাজের জন্য সবসময় নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে হচ্ছে না। আবার একটি ল্যাপটপ, ইন্টারনেট সংযোগ এবং চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা
থাকলে তিনি দেশ-বিদেশের গ্রাহকের কাছে নিজের সেবা বিক্রি করতে পারেন।

বিশ্বে গিগ ইকোনমির বিস্তার : বিশ্বজুড়েই গিগ ইকোনমি দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। ভারতে ২০২০ থেকে ২১ সালে প্রায় সাতাত্তর লাখ গিগ কর্মী ছিল যা ২০২৯ থেকে ৩০ সালে দুই কোটি পঁয়ত্রিশ লাখে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪ সালে প্রায় বিশ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক কোনো না কোনো গিগ কাজে যুক্ত ছিলেন। যুক্তরাজ্য ও ফিলিপাইনে রাইড শেয়ারিং, ডেলিভারি, ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল সার্ভিসগুলো দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। আমাদের দেশেও দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে।

স্থানীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বৈশ্বিক বাজারে ব্যবহারের সুযোগ

গিগ ইকোনমির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কাজের জন্য ভৌগোলিক সীমারেখা ভেঙে দেওয়া। বাংলাদেশের একজন ওয়েব ডেভেলপার ঢাকায় বসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করতে পারেন। একজন গ্রাফিক ডিজাইনার ইউরোপের ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করতে পারেন। একজন ডিজিটাল মার্কেটার মধ্যপ্রাচ্যের কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রচারের কাজ করতে পারেন। ফলে এর মাধ্যমে দেশে থেকেই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে, আবার তরুণগণ নতুন ধারার কর্মসংস্থানেও যুক্ত হতে পারছেন। এভাবেই গিগ ইকোনমি ডিজিটাল অর্থনীতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

গিগ মানে শুধু ফ্রিল্যান্সিং নয় : বাংলাদেশে গিগ ইকোনমি বলতে অনেকেই শুধু অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করাকে বোঝেন। ধারণাটি সঠিক নয়, রাইড-শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি, কুরিয়ার ও লজিস্টিক্স সরবরাহ, অনলাইন টিউটরিং, বাড়িভিত্তিক পেশাদার কোনো সার্ভিস, ডিজিটাল সার্ভিসেস, ডিজিটাল মার্কেটিং, কনটেন্ট তৈরি সবই বৃহত্তর অর্থে গিগ ইকোনমির অংশ। এ কারণে কোনো নীতি প্রণয়নে অবশ্য সবাইকে বিবেচনা করা উচিত, শুধু অনলাইন ফ্রিল্যান্সারদের নয়।

গিগ ইকোনমি থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ : গিগ ইকোনমির একটি বড় গুণ হলো এটি একজন কর্মীকে ধীরে ধীরে উদ্যোক্তায় পরিণত করতে পারে। একজন তরুণ প্রথমে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করে, কাজ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অন্যদেরও যুক্ত করতে পারে। পরবর্তীতে নিজে কোনো প্রতিষ্ঠান তৈরি করে উদ্যোক্তা হতে পারে। আমার দেখা দেশে এরকম বহু উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। এ জন্য নীতিনির্ধারকদের কোনো কর্মসংস্থান সম্পর্কিত কৌশলপত্র তৈরিতে গিগ হতে উদ্যোক্তা হওয়ার প্রক্রিয়াও স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে যাতে তাদের পথ চলা সহজতর হয়।

নারীর জন্য সম্ভাবনার দ্বার : আমি মনে করি গিগ ইকোনমি নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ বাড়ানোরও একটি সম্ভাবনাময় পথ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় যেসব কাজ ঘরে বসে করা সম্ভব, সে বিষয়ে নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে গিগ মার্কেটে সম্পৃক্ত করা যায়। সরকারি তথ্যমতে, বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ দশ শতাংশের কাছাকাছি। এর মানে হলো, এখানে এখনও একটা বড় শ্রমশক্তি রয়েছে যাদের উৎপাদনশীল কাজে সম্পৃক্ত করা যায়।

কেন তরুণরা গিগ ইকোনমিতে আসতে আগ্রহী : কাজের স্বাধীনতা এবং নির্দিষ্ট টাইমিং না থাকার কারণেই তরুণরা মূলত গিগ ইকোনমিতে আসতে বেশি আগ্রহী হন। এ ছাড়া কাজ পেতে তুলনামূলক কম বাধা বা স্বল্প প্রতিযোগিতা, দক্ষ হলে সরাসরি বিদেশি ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করতে পারা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় চাকরির তুলনায় বেশি আয় করার সুযোগ, একসময় নিজস্ব উদ্যোগ বা প্রতিষ্ঠান তৈরি করে অন্যদেরও কাজ দিতে পারার সুযোগ রয়েছে গিগ কর্মীদের। ফলে তরুণরা এতে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন।

গিগ ইকোনমি মানেই ভালো চাকরি নয় : গিগ ইকোনমি একদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই, অন্যদিকে অনেক গিগ কর্মীর উপার্জন অনিশ্চিত। তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নেই, কাজের নিশ্চয়তা নেই, কর্মপরিবেশ ঝুঁকিপূর্ণ এবং কর্মঘণ্টা অনির্ধারিত। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্ল্যাটফর্মগুলোর বিপক্ষে কর্মীদের কম মজুরি প্রদানেরও অভিযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে যথাযথ আইন এবং প্রয়োগ জরুরি।

ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশের সবচেয়ে দৃশ্যমান গিগ ইকোনমি : বাংলাদেশে গিগ ইকোনমির সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ হলো অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং কার্যক্রম, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ পঞ্চাশ হাজার সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। তারা মূলত বয়সে তরুণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করেন। ফলে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট থাকলে বাসায় বসেই কাজ সম্পন্ন করতে পারেন। তাদের চাকরি খুঁজতে ঢাকা বা অন্য কোনো বড় শহরে আসতে হয় না। ফলে বড় শহরে চাকরিপ্রত্যাশীদের চাপ কমে এবং নিজ বাড়িতে থেকেই বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করতে পারে। 

তবে ফ্রিল্যান্সারদের আয় নিয়ে গবেষণা হওয়া জরুরি, কার্যকারিতা দেখে প্রকল্প নেওয়া উচিত বলে মনে করি। আবার এটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণও বটে, কারণ এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করেও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হয়।


সামাজিক সুরক্ষার অনুপস্থিতি : প্রচলিত চাকরিতে কর্মী সাধারণত বেতন, ছুটি, চিকিৎসা সুবিধা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, পেনশন বা অন্যান্য সুবিধার কিছু না কিছুর আওতায় থাকেন। কিন্তু গিগ কর্মীদের ক্ষেত্রে এসব সুবিধা সাধারণত চাকরিদাতাদের মাধ্যমে নিশ্চিত হয় না। তাই ভবিষ্যতের নীতিতে পোর্টেবল সোশ্যাল প্রটেকশন গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, অর্থাৎ কর্মী প্রতিষ্ঠান বা প্ল্যাটফর্ম পরিবর্তন করলেও তার সামাজিক সুরক্ষা যেন অক্ষুণ্ন থাকে, তার সুযোগ থাকা দরকার। এর ফলে তরুণরা এতে বেশি আগ্রহী হবে তাতে কোনো সন্দেহ নাই!

দক্ষতা উন্নয়নই মূল চাবিকাঠি : দেশে কিংবা বিদেশে যেখানেই কাজ করুক না কেন, সে বিষয়ে দক্ষতা অর্জন ছাড়া গিগ কর্মীদের বাজারে টিকে থাকা সম্ভব নয়। এ জন্য বাজার চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গিগ কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে হবে। যোগাযোগের দক্ষতা, ডিজিটাল লিটারেসি, ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসি, ক্লায়েন্ট ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল মার্কেটিং, এআই ব্যবহারের দক্ষতা, সাইবার সিকিউরিটি ইত্যাদি হতে পারে আগামী দিনের গিগ কর্মীদের এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যম।

আমাদের যা করতে হবে, গিগ ইকোনমির উন্নয়নে : গিগ কর্মীদের দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা, আয় ও প্রশিক্ষণের তথ্যসংবলিত জাতীয় গিগ কর্মী ডেটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন। 

এ ছাড়া, তাদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি না থাকলেও বাস্তব দক্ষতার মূল্যায়নের জন্য পূর্ব অর্জিত শিক্ষার স্বীকৃতি (আরপিএল), প্রয়োজনে দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন, নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে নিরাপদ ডিজিটাল কর্মপরিবেশ, নমনীয় কর্মসময়, পারিশ্রমিক, কমিশন, রেটিং, অ্যাকাউন্ট স্থগিতকরণ ও অ্যালগরিদমভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা এবং কার্যকর অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সম্ভাবনাময় গিগ কর্মীদের পরামর্শ, ঋণ, বাজার সংযোগ ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় সহায়তা দিয়ে উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করা।

লেখক : সমাজকর্মী ও উন্নয়ন বিশ্লেষক, ব্যবস্থাপক, পিকেএসএফ ও সিনিয়র উপ-প্রকল্প সমন্বয়কারী, রেইজ প্রকল্প
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/জেডি 
  বিষয়:   বাংলাদেশ  গিগ ইকোনমি  উন্নয়ন  দক্ষতা 


Advertisement
Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: