মুসলিম বিশ্বের জনগণের সহানুভূতি ও সমর্থন আদায়ে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছে বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমারসে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরাকে তিনি বলেন, মক্কার দিকে হুথিদের ড্রোন পাঠানোর অভিযোগকে সৌদি সরকার ইসলামের পবিত্র স্থানে আগ্রাসন হিসেবে তুলে ধরে অন্য মুসলিম দেশগুলোর সরকার ও সামরিক বাহিনীর সমর্থন চাইছে।
অন্যদিকে হুথিরা সৌদির বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের নিপীড়িত মুসলিমদের পাশে না দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ করছে। হুথি নেতা আব্দুল মালিক আল-হুথি ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের ইয়েমেনে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সৌদি হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে দাবি করেন, সৌদিই আগ্রাসনকারী এবং হুথিরা আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে।
এলমারসে আরও বলেন, সৌদি আরব বর্তমানে অর্থনৈতিক চাপেও রয়েছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় দেশটি ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ব্যবহার করে লোহিত সাগর দিয়ে তেল রপ্তানির চেষ্টা করছিল। কিন্তু ওই পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পর সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে।
এতে এশিয়ার বাজারে তেল পাঠাতে বিকল্প ও দীর্ঘ সমুদ্রপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। পাইপলাইনটি মেরামতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে আলজাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা
সময়ের আলো/এমকে