২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বিদায় এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ৩২ থেকে বিদায়ের পর জার্মানির ফুটবলে বিপ্লব ঘটাতে আনা হয়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপকে। দেশের দায়িত্ব নিয়েই চমক দেখিয়ে নেশনস লিগের জন্য দুটি আলাদা স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন তিনি।
আসন্ন আন্তর্জাতিক বিরতিতে চারটি ম্যাচের জন্য দুটি ভিন্ন স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন ক্লপ। মনে হতে পারে, ‘এ দল’ ও ‘বি দল’ ঘোষণা করেছেন ক্লপ! তবে বিষয়টি এমন নয়। মূলত স্কোয়াডের গভীরতা পরীক্ষা করবেন বলেই এমন সিদ্ধান্ত তার।
ক্লাব ফুটবলে অতিরিক্ত ম্যাচের চাপ, দলের গভীরতা এবং নতুনদের ঝালিয়ে নিতেই এমন সিদ্ধান্ত ক্লপের। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো এ বা বি দল তৈরি করিনি। আমাদের দুই সপ্তাহে চারটি ম্যাচ খেলতে হবে, যা জাতীয় দলের জন্য খুবই অস্বাভাবিক।’
দুটি ভিন্ন স্কোয়াড ঘোষণা করলেও একটি জায়গায় ব্যতিক্রম রেখেছেন জার্মান কোচ। দুই স্কোয়াডেই রাখা হয়েছে গোলকিপার ফিন দাহমেনকে। পাশাপাশি প্রথম স্কোয়াডে থাকা কয়েকজন খেলোয়াড়কে পরের সপ্তাহেও দলের সঙ্গে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ক্লপের প্রথম দুই স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপের জার্মানি দলের ১৬ জন খেলোয়াড়। আর জাতীয় দলে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন ১১ জন। দীর্ঘ ১৫ মাস পর জার্মান দলে ফিরেছেন গোলকিপার মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন।
তবে ক্লপের ঘোষিত কোনো স্কোয়াডেই জায়গা হয়নি লেরয় সানে ও ডেনিস উনদাভের। নতুন কোচের অধীনে জার্মানির প্রথম পরীক্ষা নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর আমস্টারডামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর ঘরের মাঠে গ্রিসের মুখোমুখি হবে জার্মানি।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্কোয়াডের প্রথম ম্যাচ ২ অক্টোবর সার্বিয়ার বিপক্ষে। চার দিন পর, ৫ অক্টোবর গ্রিসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে দ্বিতীয় স্কোয়াডের চার ম্যাচের সূচি শেষ করবে জার্মানি।
সময়ের আলো/জেডি