রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাকসুর জিএস সালাউদ্দীন আম্মার। জড়িতদের এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে প্রতিটি ট্রেন থেকে দুজন করে স্টাফ তুলে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ হুঁশিয়ারি দেন সালাউদ্দীন আম্মার। পরে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে রাত ১২টার দিকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।
এর আগে রেল কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে উদ্দেশ করে দেওয়া পোস্টে সালাউদ্দীন আম্মার লেখেন, ‘আমার শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত দিবা? ক্যাম্পাসের উপর দিয়ে ট্রেন চললে ভালোভাবে চলতে হবে। ১ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার না করলে প্রত্যেক ট্রেন থেকে ২ জন করে ট্রেন স্টাফ তুলব আমি। আমার ব্যাপারে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নিবেন।’
ওই পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, আইয়ুব আলী যাত্রী ছিলেন না। ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমস্যা হওয়ায় সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ করাই তার ‘অপরাধ’। তার মাথায় রক্ত জমাট বেঁধেছে এবং অপারেশন করতে হবে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
অন্য এক পোস্টে সালাউদ্দীন আম্মার লেখেন, ‘আমার শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আমি বিন্দুপরিমাণ এ্যাপলজি করবো না।’ শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘একজন সাধারণ মানুষেরও বিন্দুপরিমাণ ক্ষতি হয়নি।’
ক্ষতিপূরণ নিতে হলে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের কাছ থেকে নেওয়া এবং মামলা করতে হলে তাদের বিরুদ্ধে করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে লেখেন, ‘আমার শিক্ষার্থীদের এক ফোটা রক্তের হিসাবও আমরা নিব।’
শেষে আরেক পোস্টে রাকসু জিএস প্রশ্ন তোলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর এত প্রতিহিংসা কিসের, এটা দেখতে চাই।’
সময়ের আলো/এসএকে