জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গণপরিবহনের ভাড়া। মাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধানে ফের কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা বাস ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে একদিকে বাড়ছে সাধারণ যাত্রীর পরিবহন ব্যয়, অন্যদিকে সরকারি নতুন হার কার্যকর হওয়ার আগেই রাজধানীর বিভিন্ন টার্মিনাল ও রুটে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ফলে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির চাপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভাড়া আদায়ে অনিয়মের অভিযোগও।
মঙ্গলবার আবার কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্তের পর দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৭০ পয়সা হয়েছে। মাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধানে ফের ভাড়া বৃদ্ধিতে বাড়ছে সাধারণ যাত্রীর পরিবহন ব্যয়। ২০১৫ সালের তুলনায় দেশের বিভিন্ন শ্রেণির বাসে ভাড়া বেড়েছে প্রায় ৫৩ থেকে ৬৯ শতাংশ পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে দূরপাল্লার বাস ও মহানগর মিনিবাসের ভাড়া।
এক যুগের ব্যবধানে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কিলোমিটারপ্রতি বেড়েছে এক টাকারও বেশি। তবে এসি বাসের ভাড়া সরকার নির্ধারণ করছে না। জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও আপাতত ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তবে নৌযানের ভাড়া কতটা বাড়ানো হবে তা নৌযান মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
২০১৫ সালের ভাড়ার সঙ্গে বর্তমান নির্ধারিত ভাড়া তুলনা করে দেখা যায়, মহানগর বাসে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে এখন ২ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক কিলোমিটারে ভাড়া বেড়েছে ১ টাকা, যা ২০১৫ সালের তুলনায় ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ বেশি। মহানগর মিনিবাসে ভাড়ার বৃদ্ধির হার আরও বেশি। ২০১৫ সালে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ছিল ১ টাকা ৬০ পয়সা। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা। অর্থাৎ কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা। শতাংশের হিসাবে এ বৃদ্ধি ৬৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
দূরপাল্লার বাসেও ভাড়ার বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ২০১৫ সালে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ছিল ১ টাকা ৪২ পয়সা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সায়। অর্থাৎ এক কিলোমিটারে ভাড়া বেড়েছে ৯৮ পয়সা। ২০১৫ সালের তুলনায় এ বৃদ্ধি ৬৯ দশমিক ০১ শতাংশ। অন্যদিকে ডিটিসিএ এলাকায় ২০১৫ সালের মহানগর বাসের ভিত্তি ভাড়ার সঙ্গে তুলনা করলে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৯০ পয়সা। ১ টাকা ৭০ পয়সার ভিত্তি ভাড়া থেকে তা বেড়ে ২ টাকা ৬০ পয়সা হলে বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ৫২ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
বাস ভাড়ার এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যেই চলতি বছরের এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর কিলোমিটারপ্রতি ১১ পয়সা ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল। তখন ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং দূরপাল্লার বাসের ভাড়া ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা করা হয়। কয়েক মাসের ব্যবধানে দুই দফা ভাড়া বৃদ্ধির ফলে যাত্রীদের পরিবহন ব্যয় আরও বেড়েছে।
অন্যদিকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু বাসযাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং চালকরাও বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের কথা জানিয়েছেন। তবে যাত্রীরা বাড়তি ভাড়া দিতে রাজি না হওয়ায় তাদের আয় কমে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
মঙ্গলবার সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে নতুন ভাড়া নির্ধারণ শেষে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ায় পরিবহন মালিকরা প্রচলিত হিসাব অনুযায়ী কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর দাবি করেছিলেন। জনস্বার্থ ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিআরটিএ এর আগে দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা এবং শহরের বাসে ১৮ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। বৈঠকে তা পর্যালোচনা করে উভয় ক্ষেত্রেই ১৭ পয়সা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। তবে এর আগেই বাড়তি ভাড়া আদায়ের চিত্র পাওয়া গেছে রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে। কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা বাড়ানো হলেও অনেক রুটে এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যেমন ঢাকা-বরিশাল রুটে ১৭ পয়সা হিসাবে ২০০ থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরত্ব ধরে ভাড়া বৃদ্ধির পরিমাণ আনুমানিক ৩৪ থেকে ৪৩ টাকা। অথচ ওই পথে কোনো কোনো পরিবহনে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সায়েদাবাদে কক্সবাজারগামী ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেসের সিøপার কোচে ভাড়া নেওয়া হচ্ছিল ১ হাজার ৮০০ টাকা। কয়েক দিন আগেও একই বাসে ভাড়া ছিল ১ হাজার ৬০০ টাকা। যাত্রী কামাল হোসেন বলেন, বেশ কয়েকটি কাউন্টারে খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, এসি বাসগুলো ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছে।
ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেসের কাউন্টার সহকারী মো. সোহান বলেন, সব যাত্রীর কাছ থেকে বাড়তি ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে না। কোনো কোচে যাত্রী কম থাকলে ছাড় দিয়েও টিকেট বিক্রি করতে হয়। তবে সিøপার কোচে কক্সবাজারের ভাড়া এখন ১ হাজার ৮০০ টাকা বলে জানান তিনি। সেন্ট মার্টিন লেক্সাস এক্সপ্রেসের কক্সবাজারগামী এসি বাসেও ভাড়া ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামের ভাড়া ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ১ হাজার টাকা।
ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালে বিভিন্ন রুটের নন-এসি বাসে টিকেটপ্রতি অন্তত ৫০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গোপালগঞ্জগামী টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেসের দুটি নন-এসি টিকেট ১ হাজার ১০০ টাকায় কিনেছেন হোসনে আরা বেগম। তার দাবি, আগে একটি টিকেটের দাম ছিল ৫০০ টাকা।
খুলনাগামী ফাল্গুনী এক্সপ্রেসের এসি বাসে ভাড়া ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। হানিফ পরিবহনের নন-এসি বাসে খুলনার ভাড়া ৬৯০ টাকা থেকে বেড়ে ৭৪০ টাকা হয়েছে। ফুলবাড়িয়া থেকে ফরিদপুর, মেহেরপুর, নড়াইল, বাগেরহাট, যশোর, বরিশাল, পিরোজপুর ও বরগুনাসহ বিভিন্ন রুটেও টিকেটপ্রতি ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
বিআরটিএ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন ভাড়ার হার ডিজেলচালিত সাধারণ বাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সরকার এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণ করে না। ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ পণ্যবাহী অন্যান্য যানবাহনের ভাড়াও সরকার নির্ধারণ করে না। বিআরটিএ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৫২ আসনের বড় বাস ও ৩০ আসনের মিনিবাস ধরে ভাড়ার হিসাব করা হয়েছে। তবে দূরপাল্লার অনেক পরিবহনে আসন কমিয়ে আরামদায়ক করা হয়। ফলে একই রুটে আসনসংখ্যা ও বাসের ধরনভেদে ভাড়ার পার্থক্য হতে পারে। এর সঙ্গে সড়ক ও সেতুর টোলও যুক্ত হতে পারে।
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ার পর পরিবহন মালিকরা কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন। বিআরটিএও প্রাথমিকভাবে দূরপাল্লায় ২০ পয়সা এবং শহরের বাসে ১৮ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে। তবে মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে তা কমিয়ে ১৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস জাানান, সরকারি হিসাব অনুযায়ী ভাড়া ২০ পয়সা বাড়ার কথা থাকলেও জনস্বার্থ বিবেচনায় ৩ পয়সা কমিয়ে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও আপাতত ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, গতবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরও ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হয়নি। তবে রেলওয়ের ওপর জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রকৃত প্রভাব পর্যালোচনা করতে আগামী পরশু বৈঠক হবে। সেখানে পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তার চেষ্টা থাকবে যাতে ট্রেনের ভাড়া বাড়াতে না হয়। লঞ্চের ভাড়া নিয়েও একই বৈঠকে আলোচনা হবে। নৌযান মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে তাদের ব্যয় কতটা বেড়েছে এবং তা কতটা সমন্বয় করা সম্ভব, সেটি বিবেচনা করা হবে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বাস ও লঞ্চের ভাড়া বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মালিকদের সুবিধা দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করেছে। সংগঠনটির প্রস্তাব অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ৮ পয়সা, নগর পরিবহনে ১০ পয়সা এবং লঞ্চে নটিক্যাল মাইলপ্রতি ৫ পয়সা ভাড়া বাড়ানো যেতে পারে।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বাজারে বেড়ে গেছে পণ্যমূল্য : জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধির পরপরই প্রভাব পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজারে। দাম বাড়ার এক দিনের মধ্যেই বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সরাসরি প্রভাব পড়েছে সবজি পরিবহনে। ঢাকার কারওয়ান বাজারের আড়তদ্বাররা বলেন, একেকটি ট্রাকে পরিবহন খরচ কয়েক হাজার টাকা বেড়েছে। তাদের মতে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় একটি ট্রাকের ভাড়া ১৪ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ১৮ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। বাড়তি পরিবহন ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের ওপরই পড়বে।
এই বাজারের সবজি ব্যবসায়ী কবীর হোসেন মানিকগঞ্জ থেকে নিয়মিত সবজি এনে কারওয়ান বাজারে বিক্রি করেন। তিনি বলেন, তার একটি পরিবহনের ভাড়া ২ হাজার ৬০০ থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। বাড়তি ব্যয় নিজের পকেট থেকে বহন করা সম্ভব নয়। ফলে এই ব্যয় ক্রেতার কাছ থেকে আদায় করতে হবে। তার হিসাবে, কিছু সবজির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।
এই বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা আলম হোসেন বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে এক দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। দাম আরও বাড়তে পারে। আগের দিনের তুলনায় মঙ্গলবার সকালে আড়তেই দাম বেড়েছে। ফলে কিছুটা লাভ রেখে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে আরও কিছুদিন পর নতুন সবজি বাজারে এলে দাম কমতে পারে।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, শুধু সবজি নয়, দূরবর্তী এলাকা থেকে ঢাকাসহ বড় শহরে চাল, মাছ, মাংস, ডিম, আলু ও পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনে ডিজেলনির্ভর যানবাহন ব্যবহার করা হয়। ফলে পরিবহন খরচ বাড়লে উৎপাদনস্থল থেকে পাইকারি বাজার এবং সেখান থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে বাড়তি ব্যয় যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরেও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ট্রাক ভাড়া বেড়েছে। ব্যবসায়ী ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী স্থানভেদে ট্রাক ভাড়া ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোতে হ্যান্ডলিং চার্জ গড়ে ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে আমদানি করা পণ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছাতে বাড়তি খরচ হবে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই অতিরিক্ত ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের বিক্রয়মূল্যে প্রতিফলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি