নদী শুধু জলধারা নয়, আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি

মোছা. নূরজাহান খাতুন

মতামত

জলাবদ্ধতা বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম বড় সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবিলায় নদীর নাব্যতা নিশ্চিত করা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা জরুরি।

2026-09-27T06:20:12+00:00
2026-09-27T06:20:12+00:00
 
  রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১২ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মতামত
বিশ্ব নদী দিবস
নদী শুধু জলধারা নয়, আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি
মোছা. নূরজাহান খাতুন
প্রকাশ: রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২০ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
জলাবদ্ধতা বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম বড় সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবিলায় নদীর নাব্যতা নিশ্চিত করা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা জরুরি। নদীর উপকারভোগী আমরা সবাই। তবে নদীর ওপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল বিভিন্ন অংশীজনের পাশাপাশি যারা নদীকে অতিরিক্ত শোষণ করছেন, তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইন প্রয়োগ করতে হবে। নদী রক্ষা শুধু পরিবেশ রক্ষার বিষয় নয়; এটি মানুষের জীবন, জীবিকা, অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।  

বিশ্বের ছোট-বড় মিলিয়ে ২৭টি সভ্যতার মধ্যে প্রায় প্রতিটি সভ্যতাই গড়ে উঠেছে নদ-নদীকে ঘিরে। বস্তুত, মানবসভ্যতা ও নদী পরস্পর সম্পর্কিত এবং অনেক ক্ষেত্রেই পরিপূরক। নদীকে কেন্দ্র করেই মানবসভ্যতার উৎপত্তি, বিকাশ ও বিস্তার ঘটেছে। নদী বিভিন্নভাবে অফুরন্ত অবদান রেখে তার তীরবর্তী জনপদ ও সভ্যতার উৎকর্ষ সাধন করেছে। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের মতে, বর্তমানে দেশে নদ-নদীর সংখ্যা ১,০০৮টি।

আমাদের দেশে নদী ও মানুষের জীবন অবিচ্ছেদ্য। সে কারণেই মৃতপ্রায় নদীগুলো নিয়ে পরিবেশবাদীসহ সাধারণ মানুষের উদ্বেগ রয়েছে। নদী রক্ষার তৎপরতা পৃথিবীজুড়েই রয়েছে। নদী সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ১৯৮০ সাল থেকে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার ‘বিশ্ব নদী দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। 

১৯৮০ সালে কানাডার খ্যাতনামা নদীবিষয়ক আইনজীবী মার্ক অ্যাঞ্জেলো দিনটি ‘নদী দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেন। ২০০৫ সালে জাতিসংঘ নদী রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ‘জীবনের জন্য জল দশক’ ঘোষণা করে। সে সময়ই জাতিসংঘ দিবসটির প্রতি সমর্থন জানায়। এরপর থেকে জাতিসংঘের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা দিবসটি পালন করে আসছে, যা দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। বাংলাদেশে ২০১০ সাল থেকে এ দিবস পালিত হচ্ছে।

নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ হিসেবে ঘোষণাকারী বিশ্বের প্রথম দেশ নিউজিল্যান্ড। ২০১৭ সালের ১৫ মার্চ দেশটির আইনসভায় ‘হোয়াংগানুই’ নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ ঘোষণা করা হয়। দূষণ ও দখলের হাত থেকে নদীকে রক্ষা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। কোনো নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করা হলে সে নদী মানুষ ও প্রাণীর মতো কিছু আইনি অধিকার লাভ করে। এর মাধ্যমে নদীর নিজস্ব অধিকার আইনগতভাবে স্বীকৃতি পায়।

মূলত সারা বিশ্বেই বহু মানুষ নদীর মাধ্যমে জীবিকা অর্জন করে। নদীর তীরে গড়ে উঠেছে শহর, বন্দর ও ব্যবসাকেন্দ্র। তাই নদীর সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণে সব দেশেই রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিউজিল্যান্ড, ভারত, কলম্বিয়া ও বাংলাদেশের মতো কয়েকটি দেশের আদালত আইন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কিছু নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। 


বাংলাদেশে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট ২০১৯ সালে নদীকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে জীবন্ত সত্তার মর্যাদা পাওয়া প্রথম নদ তুরাগ। কলম্বিয়া ও ইকুয়েডরের কিছু নির্দিষ্ট নদী ও প্রকৃতিও আইনগত অধিকার পেয়েছে।

বাংলাদেশে নদীর গুরুত্ব
বাংলাদেশে নদীর পানি কৃষিজমিতে সেচ, পানীয়জলের সরবরাহ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কৃষির প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নদীপথ সহজ ও সাশ্রয়ী হওয়ায় ঐতিহাসিককাল থেকেই পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে নদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নদীর চারপাশের এলাকা নানা ধরনের উদ্ভিদ, জীববৈচিত্র্য, মাছ ও প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। 

নদীর তীরে গড়ে উঠেছে বড় বড় কল-কারখানা। নদীতে চলাচল করে হাজার হাজার লঞ্চ, স্টিমার ও নৌকা। এসবের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান। নদীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে লাখ লাখ মানুষের জীবিকা, যার বড় একটি অংশ আসে মাছ শিকার ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য থেকে। নদীর কলতান ও সৌন্দর্য বাংলাদেশকে দিয়েছে আকর্ষণীয় ও রূপময় অবয়ব। বাংলাদেশে নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২২ হাজার কিলোমিটার। নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে আবহমানকালের বাঙালি সংস্কৃতি। অসংখ্য উপন্যাস, নাটক, কবিতা, গান ও লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা নদীকে কেন্দ্র করে বিকশিত হয়েছে।

দিবসটির গুরুত্ব ও নদীর আইনি অধিকার
বর্তমান যুগে দূষণ ও দখলের কারণে বিশ্বজুড়ে নদীগুলো বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। এ সংকট মোকাবিলায় বিশ্ব নদী দিবসের তাৎপর্য অনেক। নদী রক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের চতুর্থ রোববার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়। বাংলাদেশেও দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ও বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করে।

তবে বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশে নদী দখল ও দূষণ হচ্ছে। শিল্প-কারখানার বর্জ্য যথাযথভাবে পরিশোধন না করে বছরের পর বছর নদীতে ফেলা, মানুষের পয়োবর্জ্য, প্লাস্টিকসহ নানা ধরনের অপচনশীল দ্রব্য নদীতে ফেলা এবং নদীর প্রবাহ সংকুচিত করার কারণে নদী মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।

সরকারের হালনাগাদ করা সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী সারা দেশে নদ-নদীর মোট অবৈধ দখলদারের সংখ্যা ২১ হাজার ৯৮২ জন। এই তালিকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি, ছোট-বড় ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নদী রক্ষা কমিশনের সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী একক নদী হিসেবে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতেই সবচেয়ে বেশি— ৪ হাজার ৭০৭টি অবৈধ স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা হয়েছিল। এ ছাড়া ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বৃহত্তর ঢাকায় ৭ হাজারের বেশি শিল্প প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তরল রাসায়নিক বর্জ্য নদীতে ফেলছে।

এর বাইরে অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং চাষাবাদ ও মাছ ধরার জন্য নদীতে বাঁধ দেওয়ার কারণে নদীর প্রবাহ ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে নদীর জায়গা দখল করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমেও নদী ধ্বংস করা হচ্ছে। এসব কাজ শুধু ব্যক্তি পর্যায়েই হচ্ছে না; খোদ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানও অনেক সময় নদী ক্ষতির জন্য দায়ী হচ্ছে।

নদীর আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ
মানুষ বা প্রতিষ্ঠানের মতো নদীরও ক্ষতিপূরণ দাবি এবং আইনি লড়াইয়ের অধিকার নিশ্চিত করার উদ্যোগে পানি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।’ 

অর্থাৎ নদীর নিরাপত্তা বিধানও সংবিধান স্বীকৃত পরিবেশ সুরক্ষার অংশ। এ কারণেই ২০১৯ সালে হাইকোর্ট এক রায়ে নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করেন এবং জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে নদীর অভিভাবক হিসেবে নির্ধারণ করেন। কমিশন রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে নদীর অধিকার রক্ষায় কাজ করবে।

নদী হত্যার শাস্তি
দেশে নদীকে দখল ও দূষণের হাত থেকে রক্ষা এবং নদী ধ্বংসকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে নদী দখল ও দূষণ ঠেকাতে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। নদী দখল ও দূষণের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন আইন অনুযায়ী কমিশন নদী দখল ও দূষণ রোধ এবং নদীর উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দিতে পারবে। এসব নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য পালন করা বাধ্যতামূলক। কোনো সংস্থা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করে কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারবে।

নদী রক্ষার গুরুত্ব ও করণীয়
বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে খাদ্য, পানি ও জ্বালানির চাহিদাও বাড়ছে। বর্ধিত কৃষি উৎপাদনের জন্য পানি ও জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি ব্যবহারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বাড়বে। তাই আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থেই নদী ও পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। এ বিষয়ে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন করতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশুদ্ধ পানির সহজলভ্যতা দিন দিন কমছে। কৃষি, মানুষের পানীয় জলের চাহিদা এবং অর্থনীতিকে সচল রাখতে পানির উৎস হিসেবে নদীকে রক্ষা করা জরুরি। নদী দূষিত বা প্রবাহহীন হয়ে পড়লে এর প্রভাব শুধু পরিবেশে নয়, কৃষি, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতেও পড়বে।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষার জন্য আঞ্চলিক ও অভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতার ভিত্তিতে অভিন্ন নদীগুলোর ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ১৯৯৯ সালের জাতীয় পানিনীতি ও ২০১৩ সালের পানি আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব ইতিমধ্যে দৃশ্যমান। এর প্রভাব পানির ওপর যেমন পড়ছে, তেমনি কৃষি, পরিবেশসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও পড়ছে। তাই নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ অক্ষুণ্ন রেখে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-যমুনাসহ অভিন্ন নদ-নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে হবে।


অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন ও নদীতে বর্জ্য ফেলা নিয়ন্ত্রণ করে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী ব্যবস্থাপনা করতে হবে। রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে নদী রক্ষায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

জলাবদ্ধতা বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম বড় সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবিলায় নদীর নাব্যতা নিশ্চিত করা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা জরুরি। নদীর উপকারভোগী আমরা সবাই। তবে নদীর ওপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল বিভিন্ন অংশীজনের পাশাপাশি যারা নদীকে অতিরিক্ত শোষণ করছেন, তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইন প্রয়োগ করতে হবে। নদী রক্ষা শুধু পরিবেশ রক্ষার বিষয় নয়; এটি মানুষের জীবন, জীবিকা, অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।

লেখক : অতিরিক্ত সচিব (অব.)
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে
  বিষয়:   নদী শুধু জলধারা নয়  আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি 


Advertisement
Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: