গাজায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের আশঙ্কায় ইসরায়েলে ৮০টির বেশি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করেছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জিউইশ ক্রনিকল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি জানান, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা চালুর সময় প্রায় ৩০টি লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছিল। এরপর আরও ৫০টির বেশি রপ্তানি আবেদন বাতিল করা হয়েছে।
ডাউটি বলেন, গত ৮ সেপ্টেম্বর নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। এর আওতায় অস্ত্র রপ্তানির প্রতিটি আবেদন দুই দিক থেকে যাচাই করা হয়। একদিকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মানা হচ্ছে কি না, অন্যদিকে ইসরায়েলের দখলদারত্ব নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের অবস্থানের সঙ্গে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—দুই বিষয়ই দেখা হয়।
তিনি আরও বলেন, গাজায় রপ্তানি করা কোনো সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে কি না, তা নিশ্চিত করতে তিনি নিজেই প্রতিটি লাইসেন্স পর্যালোচনা করেন।
তবে সব লাইসেন্সই অস্ত্রের জন্য নয়। কিছু লাইসেন্সের আওতায় সিস্টিক ফাইব্রোসিসের ওষুধ, সাংবাদিকদের সুরক্ষা সরঞ্জাম এবং বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও রয়েছে।
এফ-৩৫ সরবরাহে কিছুটা ছাড়
এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচির ক্ষেত্রে অবশ্য কিছুটা ব্যতিক্রম রয়েছে। ডাউটি জানান, ব্রিটেনে তৈরি এফ-৩৫-এর বেশিরভাগ যন্ত্রাংশ এখনো রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে না।
যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের কাছে সরাসরি এফ-৩৫ রপ্তানি বন্ধ করেছে। তবে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির জন্য খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ এখনও চালু রেখেছে।
ডাউটির দাবি, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ নিরাপত্তার স্বার্থেই এই সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে। যুক্তরাজ্য পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ করে দিলে আন্তর্জাতিক এফ-৩৫ কর্মসূচিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।ইসরায়েলে ৮০টির বেশি অস্ত্র রপ্তানি লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করেছে যুক্তরাজ্য
গাজায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের আশঙ্কায় ইসরায়েলে ৮০টির বেশি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করেছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জিউইশ ক্রনিকল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি জানান, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা চালুর সময় প্রায় ৩০টি লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছিল। এরপর আরও ৫০টির বেশি রপ্তানি আবেদন বাতিল করা হয়েছে।
ডাউটি বলেন, গত ৮ সেপ্টেম্বর নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। এর আওতায় অস্ত্র রপ্তানির প্রতিটি আবেদন দুই দিক থেকে যাচাই করা হয়। একদিকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মানা হচ্ছে কি না, অন্যদিকে ইসরায়েলের দখলদারত্ব নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের অবস্থানের সঙ্গে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—দুই বিষয়ই দেখা হয়।
তিনি আরও বলেন, গাজায় রপ্তানি করা কোনো সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে কি না, তা নিশ্চিত করতে তিনি নিজেই প্রতিটি লাইসেন্স পর্যালোচনা করেন।
তবে সব লাইসেন্সই অস্ত্রের জন্য নয়। কিছু লাইসেন্সের আওতায় সিস্টিক ফাইব্রোসিসের ওষুধ, সাংবাদিকদের সুরক্ষা সরঞ্জাম এবং বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও রয়েছে।
এফ-৩৫ সরবরাহে কিছুটা ছাড়
এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচির ক্ষেত্রে অবশ্য কিছুটা ব্যতিক্রম রয়েছে। ডাউটি জানান, ব্রিটেনে তৈরি এফ-৩৫-এর বেশিরভাগ যন্ত্রাংশ এখনো রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে না।
যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের কাছে সরাসরি এফ-৩৫ রপ্তানি বন্ধ করেছে। তবে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির জন্য খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ এখনও চালু রেখেছে।
ডাউটির দাবি, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ নিরাপত্তার স্বার্থেই এই সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে। যুক্তরাজ্য পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ করে দিলে আন্তর্জাতিক এফ-৩৫ কর্মসূচিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ