তিন দিনেই শেষ বরিশাল-খুলনা ম্যাচ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

খেলা

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম রাউন্ডে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে বরিশালের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে খুলনা। অন্যদিকে চট্টগ্রামের সাদিকুর

2026-10-05T23:27:07+00:00
2026-10-05T23:27:07+00:00
 
  সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬,
২০ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
খেলা
তিন দিনেই শেষ বরিশাল-খুলনা ম্যাচ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৭ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম রাউন্ডে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে বরিশালের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে খুলনা। অন্যদিকে চট্টগ্রামের সাদিকুর রহমান ও ময়মনসিংহের মাহফিজুল ইসলাম রাব্বির ব্যাটে জমে উঠেছে আরও দুটি ম্যাচ। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ময়মনসিংহও তৈরি করেছে ম্যাচ জয়ের শক্ত ভিত।

খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বরিশালকে কোনো সুযোগই দেয়নি স্বাগতিকরা। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪২৬ রানের সংগ্রহ দাঁড় করানোর পর বরিশালকে দুই ইনিংসেই চাপে রাখে খুলনার বোলাররা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৯৪ রানে গুটিয়ে যাওয়া বরিশালকে ফলোঅনে পাঠানো হয়। শেখ পারভেজ জীবন ও মেহেদী হাসান রানা নেন তিনটি করে উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে হাফিজুর রহমানের ৯১ রানের লড়াই কিছুটা সময়ের জন্য বরিশালকে স্বস্তি দেয়। ১৪৫ বলের ইনিংসে সাতটি চার ও একটি ছক্কা মারেন তিনি। রাফসান আল মাহমুদ ৪৩ এবং মোহাম্মদ সালমান করেন ২৭ রান। তবে হাফিজুর সেঞ্চুরি থেকে ৯ রান দূরে থাকতে পারভেজ জীবনের বলে সোহানের হাতে ক্যাচ দিলে দ্রুতই শেষ হয়ে যায় প্রতিরোধ। ৬৭.১ ওভারে ১৯৭ রানে অলআউট হয় বরিশাল।

খুলনার প্রথম ইনিংসের বড় সংগ্রহে কালাম সিদ্দিকী অলীন ৯২, অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ৮৯, আফিফ হোসেন ৪৮ ও নুররুল হাসান সোহান ৪৭ রান করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে সফর আলী চার উইকেট নিয়ে বরিশালের শেষের প্রতিরোধও ভেঙে দেন। পারভেজ তিনটি এবং সামিউন বাসির রাতুল দুটি উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ২৯১ রান করতেই বরিশালের ইনিংস ও ১৩৫ রানের হার নিশ্চিত হয়।

এদিকে চট্টগ্রামে দিনটি ছিল সাদিকুর রহমানের। আগের দিন মাহমুদুল হাসান জয়ের সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় দিনে অপেক্ষায় থাকা সাদিকুর তৃতীয় দিনের শুরুতেই নিজের শতক পূরণ করেন। ১৩৭তম বলে তিন অঙ্কে পৌঁছান তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২৯ ম্যাচে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি।


তবে শতকের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সানজামুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ১৫৮ বলে ১২টি চারে ১১৫ রান করেন সাদিকুর। তার আগে শফিকুল ইসলামের বলে ১০৫ রানে থামেন জয়, আগের দিনের স্কোরে মাত্র ৩ রান যোগ করতে পেরেছিলেন তিনি। এরপর শাহাদাত হোসেন দীপুও দ্রুত বিদায় নিলে দুর্দান্ত শুরু পাওয়া চট্টগ্রাম হঠাৎ তিন উইকেট হারায়। ৬৬.৫ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ২৪৫ রান, রাজশাহীর চেয়ে পিছিয়ে ১১৯ রানে।

সিলেটে অবশ্য ময়মনসিংহ তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে শক্ত ভিত গড়েছে। প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করা ময়মনসিংহের জবাবে ৩২৭ রান করে ১৬ রানের লিড নিয়েছিল সিলেট। স্বাগতিকদের হয়ে জাকির হাসান ৬০, আসাদুল্লাহ আল গালিব ৬৭ এবং তোফায়েল আহমেদ রায়হান ৫৯ রান করেন। সিলেটের ইনিংস গুটিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আজিজুল হাকিম রনি। ৩৩ ওভারে ৯ মেডেনসহ ৭৯ রান দিয়ে চার উইকেট নেন তিনি। রাকিবুল হাসান পান তিনটি, গালিব দুটি উইকেট।

দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য সিলেটের ওপর পাল্টা চাপ তৈরি করেছে ময়মনসিংহ। দুই ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রাব্বি ও খালিদ হাসানের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১৪০ রান। খালিদ ৫৭ রানে ফিরলেও মাহফিজুল দিন শেষ করেন ৮৬ রানে অপরাজিত থেকে। ১৫৭ বলের ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১০টি চার।

প্রথম ইনিংসেও ৭০ রান করেছিলেন মাহফিজুল। ফলে ম্যাচে দ্বিতীয় ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে রূপ দেওয়ার হাতছানি এখন তার সামনে। তৃতীয় দিন শেষে ৪৬ ওভারে ১ উইকেটে ১৪৮ রান করেছে ময়মনসিংহ। হাতে ৯ উইকেট রেখে তাদের লিড ১৩২ রান। শেষ দিনে মাহফিজুলের ব্যাটেই নির্ধারিত হতে পারে সিলেটের সামনে ময়মনসিংহের লক্ষ্য কত বড় হয়।


সময়ের আলো/ইউএমএইচ
  বিষয়:   বরিশাল-খুলনা  ম্যাচ 


Advertisement
Loading...
Loading...
খেলা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: