সুন্দরবনের পর্যটনে মানুষ ও প্রকৃতির সমান অংশীদারিত্ব

আঁখি সিদ্দিকা

মতামত

সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে সুন্দরবনের মানুষকেও সংরক্ষণের অংশীদার করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য এমন পর্যটন হওয়া উচিত নয়, যা শুধু পর্যটককে

2026-10-10T16:49:08+00:00
2026-10-10T16:49:08+00:00
 
  শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬,
২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
মতামত
সুন্দরবনের পর্যটনে মানুষ ও প্রকৃতির সমান অংশীদারিত্ব
আঁখি সিদ্দিকা
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে সুন্দরবনের মানুষকেও সংরক্ষণের অংশীদার করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য এমন পর্যটন হওয়া উচিত নয়, যা শুধু পর্যটককে সুন্দরবন দেখাবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন পর্যটন, যা সুন্দরবনকে বাঁচিয়ে রাখবে, স্থানীয় মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করবে এবং প্রকৃতি ও মানুষের সহাবস্থানকে টেকসই উন্নয়নের একটি মডেলে পরিণত করবে।

সুন্দরবনকে আমরা সাধারণত একটি বন হিসেবে দেখি। কিন্তু সুন্দরবন কি শুধু বন? নাকি নদী, বন্যপ্রাণী, মানুষের বসতি, জীবিকা, সংস্কৃতি ও স্থানীয় অর্থনীতিকে নিয়ে এটি একটি বৃহত্তর জীবন্ত ভূদৃশ্য?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনকে শুধু বিনোদন বা ব্যবসার দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ নেই। সুন্দরবনের কোলঘেঁষে শত বছর ধরে বসবাস করে আসা জেলে, মৌয়াল, বাওয়ালি, কৃষক, নারী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং বননির্ভর পরিবারগুলোর জীবনও এই ভূদৃশ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। 

তাই সুন্দরবন রক্ষার প্রশ্নটি একই সঙ্গে বন, নদী, জীববৈচিত্র্য, সংস্কৃতি এবং মানুষের জীবন-জীবিকার প্রশ্ন। প্রশ্নটি শুধু পর্যটন হবে কি হবে না, তা নয়। প্রশ্ন হলো, কোন পর্যটন টেকসই, কোথায় পর্যটন করা যাবে, কী ধরনের অবকাঠামো গ্রহণযোগ্য, একটি এলাকার ধারণক্ষমতা কত এবং স্থানীয় মানুষ কীভাবে এই অর্থনীতির ন্যায্য অংশীদার হবে।

সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন নিয়ে আলোচনায় একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠা সব পর্যটনকেন্দ্রকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অংশ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে এক পাশে গ্রাম, মাঝখানে নদী, আর নদীর ওপারে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। সুন্দরবনসংলগ্ন বহু পর্যটন উদ্যোগ গড়ে উঠেছে মানুষের বসতিপূর্ণ গ্রামাঞ্চলে, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে। সেই জমির মালিকদের মধ্যে কৃষক, জেলে, মৌয়ালসহ স্থানীয় মানুষও রয়েছেন।

অতএব সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সুরক্ষা এবং বনসংলগ্ন মানববসতিতে পর্যটনের ব্যবস্থাপনা একই দৃষ্টিতে দেখা যাবে না। দুটির জন্য প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক পৃথক পরিকল্পনা।

সুন্দরবনসংলগ্ন পর্যটনের বিকাশ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কৃতিত্ব নয়। গোলকানন, ইরাবতী, পিয়ালী, জঙ্গলবাড়ি, বনলতা, বনবিবি, সুন্দরীসহ বিভিন্ন উদ্যোগ এই অঞ্চলে একটি নতুন অর্থনৈতিক পরিসর তৈরি করেছে।

এই পর্যটনের সঙ্গে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান, নৌযান, পরিবহন, কৃষি, মৎস্য, খাদ্য সরবরাহ, সংস্কৃতি ও ক্ষুদ্র ব্যবসা যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৩০০টি পরিবার সরাসরি এই পর্যটন অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত। এর বাইরে মাঝি, জেলে, কৃষক, ভ্যানচালক, স্থানীয় গাইড, খাদ্য সরবরাহকারী, কারিগর, সাংস্কৃতিক কর্মী ও শ্রমিকসহ আরও বহু মানুষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হচ্ছেন।

এটাই পর্যটনের বড় শক্তি। একটি শিল্পকার-খানার সুবিধা হয়তো মূলত তার মালিক ও কর্মীদের মধ্যে সীমিত থাকে। কিন্তু পর্যটন স্থানীয় অর্থনীতির বিস্তৃত শৃঙ্খল তৈরি করতে পারে। একজন পর্যটকের ব্যয় থেকে একই সঙ্গে উপকৃত হতে পারেন নৌকার মাঝি, কৃষক, জেলে, দোকানি, নারী উদ্যোক্তা, সাংস্কৃতিক কর্মী কিংবা হস্তশিল্পী। সঠিক পরিকল্পনা থাকলে পর্যটন তাই শুধু ব্যবসা নয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থানীয় উন্নয়নের একটি কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে।

সুন্দরবনসংলগ্ন বহু মানুষের জীবন ঐতিহাসিকভাবে বনের ওপর নির্ভরশীল। কেউ বৈধভাবে মাছ ধরছেন বা মধু সংগ্রহ করছেন, আবার দারিদ্র্য ও বিকল্প জীবিকার অভাবে কেউ কেউ অবৈধ কর্মকাণ্ডেও যুক্ত হয়েছেন।

এই বাস্তবতা অস্বীকার করে শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ নিশ্চিত করা কঠিন। মানুষকে বন থেকে দূরে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় শুধু ভয় দেখানো নয়, বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরি করা। পর্যটনের সঙ্গে স্থানীয় মানুষ যুক্ত হলে সেই বিকল্পের একটি পথ তৈরি হয়। একজন যুবক স্থানীয় গাইড হতে পারেন, একজন নারী রান্না, লন্ড্রি, হস্তশিল্প বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আয় করতে পারেন, একজন জেলে নৌকা নিয়ে পর্যটক পরিবহন করতে পারেন, একজন কৃষক স্থানীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহ করতে পারেন।

যে মানুষ বুঝতে পারেন বন বেঁচে থাকলে পর্যটক আসবেন, তার নৌকা চলবে, স্থানীয় পণ্য বিক্রি হবে, তার সন্তানের কাজের সুযোগ তৈরি হবে, তখন বন রক্ষা তার নিজের ভবিষ্যৎ রক্ষার সঙ্গেও যুক্ত হয়ে যায়। গাছ কাটা বন্ধ করা, হরিণের ফাঁদ থেকে সরে আসা কিংবা বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ করার মতো পরিবর্তনের পেছনে বিকল্প জীবিকা ও সামাজিক সচেতনতাও গুরুত্বপূর্ণ।

সব পর্যটন উদ্যোগ পরিবেশবান্ধব, এমন দাবি করার সুযোগ নেই। শুধু নামের সঙ্গে ‘ইকো’ শব্দ যুক্ত করলেই কোনো স্থাপনা ইকো-রিসোর্ট হয়ে যায় না। অপরিকল্পিত নির্মাণ, দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত পানি ব্যবহার, শব্দদূষণ কিংবা জীববৈচিত্র্যের ওপর চাপ তৈরি হলে তার পরিবেশগত মূল্যায়ন প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত উদ্যোগের জন্যও স্পষ্ট শর্ত থাকা জরুরি। 

কোন স্থাপনা কোথায় হবে, পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রয়োজন কি না, বর্জ্য কীভাবে ব্যবস্থাপনা হবে, পর্যটকের সংখ্যা কত হবে এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ কতটা থাকবে, এসব নির্ধারণ হওয়া দরকার। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রেও বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া জরুরি। আগে কার্যকর আইন, বিধির মাধ্যমে কী করা যাবে এবং কী করা যাবে না, তা নির্ধারণ করতে হবে। 

এরপর কেউ সেই নিয়ম ভঙ্গ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সুন্দরবন নদী ছাড়া দেখা যায় না। ফলে নৌযান পর্যটনের একটি প্রয়োজনীয় অংশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত ব্যবস্থার মধ্য দিয়েই পর্যটকরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় নৌপথে প্রবেশ করেন।

তাই প্রশ্নটি নৌযান চলবে কি না, শুধু সেটি নয়। প্রশ্ন হওয়া উচিত : কতটি নৌযান চলবে? কতজন পর্যটক একসঙ্গে যেতে পারবেন? কোন রুটে চলবে? কী ধরনের ইঞ্জিন ব্যবহার হবে? কতটা শব্দ করা যাবে? কোথায় নোঙর করা যাবে? বর্জ্য কীভাবে ফেরত আনা হবে? সংবেদনশীল মৌসুমে পর্যটন কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে?

নৌযান বন্ধ করে দেওয়া হয়তো বাস্তবসম্মত সমাধান নয়। বরং প্রয়োজন নির্দিষ্ট রুট ও গতি, শব্দ ও আলো নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ফেরত আনার বাধ্যবাধকতা, তেল নিঃসরণ প্রতিরোধ, পর্যটকের ধারণক্ষমতা নির্ধারণ এবং ধীরে ধীরে কম-নিঃসরণকারী প্রযুক্তির দিকে যাওয়া।

সুন্দরবনকে নিয়ে আমাদের আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি হলো, আমরা প্রায়ই সুন্দরবনের পর্যটন বলতে শুধু বনের ভেতরের পর্যটনকে বুঝি। অথচ বনসংলগ্ন ইমপ্যাক্ট জোনে বসবাস করেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। সেখানে বাড়িঘর, কৃষিজমি, রাস্তাঘাট, হাটবাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নানা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড রয়েছে। এই অঞ্চলে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে হোমস্টে, কমিউনিটি রিসোর্ট, স্থানীয় খাবার, কৃষিপণ্য, মধু ও মোমজাত পণ্য, হস্তশিল্প, লোকগান, বনবিবির পুঁথি, স্থানীয় ইতিহাস, নদী ও জীববৈচিত্র্যভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং স্থানীয় গাইডিং গড়ে উঠতে পারে।

এ ধরনের ইকো-কালচারাল পর্যটন স্থানীয় মানুষের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি বন ও সংস্কৃতি সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে দাকোপের মতো সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় সমবায়ভিত্তিক কমিউনিটি পর্যটনের সম্ভাবনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা যেতে পারে।

সুন্দরবন শুধু গাছ, নদী ও বন্যপ্রাণীর নাম নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের গান, গল্প, বনবিবির কাহিনি, লোকবিশ্বাস, নৌসংস্কৃতি এবং বহু প্রজন্মের জীবনযাপন।


পর্যটনের মাধ্যমে হারিয়ে যেতে বসা এসব সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব। স্থানীয় সাংস্কৃতিক দল, লোকগান, স্থানীয় ইতিহাস ও মানুষের নিজস্ব জীবনকথা পর্যটনের অংশ হতে পারে। এতে সংস্কৃতির মর্যাদা বাড়বে, পাশাপাশি তৈরি হবে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ।

সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের জন্য এখন সবচেয়ে প্রয়োজন একটি সমন্বিত, বাস্তবভিত্তিক নীতিমালা। সেখানে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হওয়া দরকার : কোথায় পর্যটন অবকাঠামো করা যাবে এবং কোথায় যাবে না; কোন ধরনের স্থাপনা গ্রহণযোগ্য; পরিবেশগত ছাড়পত্র ও অন্যান্য অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা; বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা; পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের মানদণ্ড; শব্দ ও আলোকদূষণ নিয়ন্ত্রণ; বন্যপ্রাণীর আবাস ও চলাচলের পথ সুরক্ষা; পর্যটকের ধারণক্ষমতা; নৌযানের পরিবেশগত মানদণ্ড; স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ও লাভের ন্যায্য অংশ; নারী ও তরুণদের কর্মসংস্থান এবং নিয়ম ভঙ্গ হলে আইনগত ব্যবস্থা।

এই নীতিমালা তৈরির সময় স্থানীয় মানুষ, পর্যটন উদ্যোক্তা, পরিবেশবিদ, বন ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ, নৌযানসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সরকারি সংস্থার মতামত নেওয়া জরুরি। কারণ মাঠের বাস্তবতা না জেনে কাগজে তৈরি নীতিমালা অনেক সময় কার্যকর হয় না। সুন্দরবনের স্টেকহোল্ডার শুধু বন বিভাগ বা পরিবেশ অধিদফতর নয়। সেই জেলে পরিবার, মৌয়াল, কৃষক, মাঝি, নারী উদ্যোক্তা, স্থানীয় তরুণ এবং সেই শিশুটিও এই ভূদৃশ্যের ভবিষ্যতের অংশীদার। একই সঙ্গে বাঘ, হরিণ, পাখি, মাছ, গাছ, নদী এবং অসংখ্য প্রাণীই এই ব্যবস্থার অংশ।

সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে সুন্দরবনের মানুষকেও সংরক্ষণের অংশীদার করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য এমন পর্যটন হওয়া উচিত নয়, যা শুধু পর্যটককে সুন্দরবন দেখাবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন পর্যটন, যা সুন্দরবনকে বাঁচিয়ে রাখবে, স্থানীয় মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করবে এবং প্রকৃতি ও মানুষের সহাবস্থানকে টেকসই উন্নয়নের একটি মডেলে পরিণত করবে।

সুন্দরবনকে শুধু একটি বন হিসেবে দেখলে আমরা তার অর্ধেক গল্প দেখব। সুন্দরবন একটি বন, একটি নদী, একটি জীববৈচিত্র্য, একটি সংস্কৃতি, একটি অর্থনীতি এবং একটি জনপদ। সেই কারণেই সুন্দরবনকে বাঁচানোর পথও একমাত্রিক হতে পারে না।

বন থাকবে, নদী থাকবে, বাঘ থাকবে, হরিণ থাকবে, পাখি থাকবে, মানুষ থাকবে, আর মানুষের স্বপ্নও থাকবে।
সুন্দরবনকে ঘিরে টেকসই পর্যটনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে সেদিন, যেদিন একজন স্থানীয় মানুষ বলবেন— সুন্দরবনকে রক্ষা করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, সবার। কারণ সুন্দরবন বাঁচলে আমরাও বাঁচব।

লেখক : সুন্দরবন বিশেষজ্ঞ
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/প্রিন্ট/ এসএকে
  বিষয়:   সুন্দরবন  পর্যটন  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: