প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ছবি : সময়ের আলোপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক জেএমসেন হলের সামনে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। একই চিত্র দেখা গেছে নগরীর কাজীর দেউড়ি এলাকার রেডিসন ব্লু হোটেলের সামনেও। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় জেএমসেন হলে প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে সন্ধ্যা ৬টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাননি।
বিকেল থেকেই নগরীর কাতালগঞ্জ এলাকায় জেএমসেন হলের আশপাশে নানা বয়সী মানুষ জড়ো হতে থাকেন। সন্ধ্যার পর ভিড় আরও বাড়ে। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখা ও স্বাগত জানানোর প্রত্যাশায় সেখানে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। একইভাবে রেডিসন ব্লু হোটেলের সামনেও মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক জেএমসেন হলের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আসছেন কোনো সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে নগরীতে দুর্গোৎসবে যোগ হয়েছে বাড়তি আনন্দ ও উৎসবের আমেজ।
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় স্বাধীনতাকামী মানুষের মতবিনিময়, সভা-সমাবেশ এবং শিল্প-সংস্কৃতিচর্চার কেন্দ্র হিসেবে জেএমসেন হল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। আইনজীবী যাত্রামোহন সেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর ছেলে দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত হলটির নামকরণ করেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ বলেন, “জেএমসেন হলে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। পূজায় প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী আসছেন। তাই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।”
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নতুন সাজে সেজেছে জেএমসেন হল। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতেও সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছে। সার্কিট হাউস থেকে কাজীর দেউড়ি, আসকারদীঘি, জামালখান ও চেরাগী মোড় হয়ে জেএমসেন হল পর্যন্ত সড়কে কার্পেটিং, খানাখন্দ মেরামত, সড়ক বিভাজকে রং করা, ফুলের চারা রোপণ ও আলোকসজ্জার কাজ করা হয়েছে।
সময়ের আলো/এসএকে