প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম আপডেট: ২০.১০.২০২৬ ১১:১৩ পিএম
সরকারি সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতিরা। সংগৃহীত ছবি ইয়েমেনের সাবা প্রদেশে একটি সরকারি সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতিরা। এ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার সাবা প্রদেশের সরকারি দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
আল-আলম মিলিটারি ট্রেনিং ক্যাম্প নামের ওই প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ইয়েমেনি বাহিনীর নতুন সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল। এ সময় সেখানে পরপর তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে হুতিরা। খবর আলজাজিরার।
হুতিদের সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে গতকাল সোমবার এ হামলার দায় স্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল সৌদি আরব-সমর্থিত একটি সামরিক ঘাঁটি। ইয়াহিয়া সারে আরও বলেন, সৌদি-সমর্থিত সেনারা যেখানেই অবস্থান করবে, সেখানেই হামলা চালানো হবে।
ভয়াবহ এ হামলার পর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের প্রেসিডেন্ট রাশদ আল-আলিমি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নতুন সেনাদের ওপর হামলার জন্য হুতিদের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত ইয়েমেন
২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ চলছে। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এ সংঘাতে জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এরপর দীর্ঘ সাত বছর ধরে ইয়েমেনে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ চালায় সৌদি-সমর্থিত জোট। তবে হুতিদের রাজধানী সানা ও অন্যান্য এলাকা থেকে সরিয়ে দিতে পারেনি তারা।
পরবর্তী সময়ে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। এর ফলে সংঘাতের তীব্রতা কমে এলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে আবারও পূর্ণমাত্রার গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ