নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জহির ফকির নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলা চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় তাকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
নিহত যুবদল নেতা আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া এলাকার মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে ও একই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পথে অন্তত ১৫-২০ জনের একটি দল সংঘবদ্ধ হয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাগিনা ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, ‘কালাপাহাড়িয়া এলাকার মুবারক নামের এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে মামার দ্বন্দ্ব ছিল। কালাপাহাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকায় মুবারক পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।’ তিনি, তার মামার হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব খোরশেদ আলম বলেন, জহির যুবদলের ত্যাগী নেতা ছিল। তার বাসা কালাপাহাড়িয়া হলেও সে মুন্সিগঞ্জে বসবাস করতো। হঠাৎ খবর পেলাম ১৫-২০ জনের কোনো একটি গ্রুপ তাকে হত্যা করেছে। ছেলেটা প্রায় সময় আমাকে বলতো যে তাকে মেরে ফেলবে। কিন্তু কে বা কার সঙ্গে ওর দ্বন্দ্ব ছিল তা নিশ্চিত হতে পারিনি। কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি এমন খবরে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, আমরা ঘটনাটি নিয়ে কাজ করছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/জোই