প্রকাশ: রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫১ পিএম
প্রতিবাদস্বরূপ সীমা বৌদ্ধ বিহারে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ছবি : সময়ের আলোস্থানীয় প্রভাবশালীদের বাধা ও বিহারের সভাপতিকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে প্রবরণা পূর্ণিমার উৎসব বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন কুয়াকাটার রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষ। উচ্ছেদ ও সহিংসতার আতঙ্কে থাকা সম্প্রদায়টি বিহারের জমির বিরোধ নিষ্পত্তি এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সুবিচার দাবি করেছে। এর আগে প্রতিবাদস্বরূপ সীমা বৌদ্ধ বিহারে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
বিহারের মহাথেরো উত্তম ভিক্ষু জানান, আড়াইশো বছর আগে জঙ্গল পরিষ্কার করে, বাঘ ও কুমিরের সাথে লড়াই করে যে ভূখণ্ডে বসতি গড়ে তুলেছিল রাখাইন সম্প্রদায়, সেখানে আজ তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয় ভূমিদস্যুদের ষড়যন্ত্র, হুমকি এবং মন্দিরের জায়গা কেন্দ্র করে হয়রানির প্রতিবাদে আসন্ন প্রবারণা পূর্ণিমার উৎসব না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা অঞ্চলের রাখাইন সম্প্রদায়। একই সাথে নিজেদের জমি ও জানমালের নিরাপত্তার জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।
রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা জানান, যুগের পর যুগ ধরে তারা এ অঞ্চলে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এলাকার উন্নয়ন ও ভূমির দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় একশ্রেণির প্রভাবশালী ভূমিদস্যু তাদের ওপর নজর দিয়েছে। সরলতার সুযোগ নিয়ে এবং কাগজপত্রের জটিলতাকে কাজে লাগিয়ে রাখাইনদের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদের চক্রান্ত চালানো হচ্ছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান বলেন, কয়েকদিন আগে সমস্যা হয়েছিল, সেটার সমাধানও হয়েছে। এখন আর কোনো সমস্যা নেই। তবুও খোঁজ খবর নিচ্ছি।
সময়ের আলো/এনএন