‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের নিন্দা-ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের এক বক্তব্যে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। গতকাল রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে

2026-10-27T01:54:47+00:00
2026-10-27T01:54:47+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬,
১১ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয়
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের নিন্দা-ক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৪ এএম 
প্রতীকী ছবি
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের এক বক্তব্যে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। গতকাল রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘বলপ্রয়োগ করলে একটি পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে বলা হয় দুর্বল; আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে আমরা সেটাই করব।’

একই অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের সমালোচনা করে বলেন, ‘মাদকের টাকা না পেলে সাংবাদিকরা লিখছেন পুলিশ অকার্যকর।’

সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা ‘কমিউনিটি ইসলামিকের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিভিন্ন রাজনৈতি দল, মানবাধিকার ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে পুলিশপ্রধানের এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার, নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা এবং তার অপসারণেরও দাবি উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দিনভর তীব্র সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।

এদিকে চারদিকে তীব্র সমালোচনার মুখে পুলিশ সদর দফতর থেকে বলা হয়েছে ক্রসফায়ার শব্দটিকে আইজিপি ‘রূপক’ অর্থে ব্যবহার করেছেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্কে মন্তব্য তিনি ঢালাওভাবে নয়, অসাবধানতাবশত বলেছেন।

রাজনৈতিক দলের সমালোচনা : 

আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’-সংক্রান্ত বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, পুলিশ নাগরিকদের সেবক, শাসক নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান ব্যক্তি হয়ে এমন বক্তব্যে তিনি তার চাকরিবিধি লঙ্ঘন করেছেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির মধ্যে আইজিপির এমন বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য ও অনভিপ্রেত। তার বক্তব্য দেশে ভয়ের সংস্কৃতিতে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত দেয়। রাষ্ট্রকে আবারও নতুন সংকটের দিকে নিয়ে যাওয়ার চক্রান্তের নকশা।

আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’-সংক্রান্ত মন্তব্য প্রত্যাহার করে জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

সোমবার বিকালে রাজধানীর মুগদায় আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আইজিপি পুলিশ বাহিনীকে আবার লাঠিবাহিনী, ক্রসফায়ারের বাহিনী ও চাঁদাবাজের বাহিনীতে পরিণত করতে চাচ্ছেন। তিনি বলেন, এই আইজিপি হচ্ছে বেনজীরের বংশধর, তারা হচ্ছে বিপ্লবের বংশধর। তাদের পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে পুলিশকে আবার কলঙ্কিত করা হচ্ছে।

আইজিপির বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক বিবৃতিতে বলেন, সরকারের অনুমোদন থাকলেই কোনো নাগরিককে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার বৈধতা তৈরি হয় না। সরকারের কাছে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দাবি করেন এবি পাটির দুই শীর্ষ নেতা।

পৃথক এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, আলী হোসেন ফকির ক্রসফায়ার নিয়ে যা বলেছেন তা উদ্বেগজনক। তার এই বক্তব্য পতিত ফ্যাসিস্ট আমলের পুলিশের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বিবৃতিতে বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি মোকাবিলায় কার্যকর কৌশল তুলে ধরার পরিবর্তে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কথা বলা পুলিশের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।

আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সংগঠন মায়ের ডাক। সংগঠনটি বলেছে, অপরাধ দমনের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যার কোনো বৈধতা নেই। এ ধরনের বক্তব্য আইনের শাসন, মানবাধিকার ও রাষ্ট্রের জবাবদিহির জন্য গুরুতর হুমকি। দীর্ঘ ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে বাংলাদেশে অসংখ্য মানুষ গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিপীড়নের শিকার— এমন ইতিহাসের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে ‘ক্রসফায়ার’ করার বক্তব্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একই সঙ্গে তার বক্তব্যে স্পষ্ট ব্যাখ্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ঘোষণা, হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তসহ চারদফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মানবাধিকার সংগঠনের নিন্দা :  

আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা গ্রহণ, প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়াসহ বক্তব্য প্রত্যাহার ও তার প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব থেকে অপসারণেরও দাবি তুলেছে সংস্থাটি।

আইজিপির বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে, পুলিশ মহাপরিদর্শকের এই বক্তব্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা মোকাবিলার পরিবর্তে বিচারবহির্ভূত হত্যাকে অপরাধ দমনের গ্রহণযোগ্য হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠার বিপজ্জনক বার্তা দেয়।

আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যকে সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রকাশ বলেও বর্ণনা করেছে টিআইবি। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিজেদের ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে পুলিশপ্রধান কী ঘৃণিত ক্রসফায়ারকে ব্যবহার করতে চাইছেন? সরকারের অনুমতির শর্তজুড়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকে বৈধতা দেওয়ার পথ খোঁজা কি একই সঙ্গে আইনসম্মতভাবে অপরাধ দমনে ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি নয়?

পুলিশপ্রধানের এমন ‘বেপরোয়া ও অপরিণামদর্শী’ বক্তব্য মাঠপর্যায়ে বেআইনি বলপ্রয়োগের প্রচ্ছন্ন ছাড়পত্র হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে বলেও মত দেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অর্থ না পেয়ে পুলিশের সমালোচনা করার যে অভিযোগ আইজিপি করেছেন সে প্রসঙ্গে টিআইবি বলছে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। ঢালাও অভিযোগ মুক্ত গণমাধ্যমের নজরদারি ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা নিরুৎসাহিত করার ঝুঁকি তৈরি করে।

পৃথক বিবৃতিতে বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত এক কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য শুধু অগ্রহণযোগ্যই নয়, বরং আইনের শাসন, সাংবিধানিক অধিকার ও মানবাধিকারের মূল নীতির পরিপন্থী। কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলেও তাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করার অধিকার রাষ্ট্র বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নেই।

আসক মনে করে, এ ধরনের বক্তব্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্ব, জবাবদিহি এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়।

আসক সরকারের কাছে আইজিপির বক্তব্যের বিষয়ে অবিলম্বে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছে এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কোনো ধরনের অনুমোদন বা প্রশ্রয় দেওয়া হবে না মর্মে দ্ব্যর্থহীন অবস্থান ঘোষণা করার দাবি তুলেছে।

আইজিপির বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। এইচআরএসএস সরকারের কাছে আইজিপির বক্তব্যের বিষয়ে স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ব্যাখ্যা দাবি করে বলছে, সরকার কি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে অনুমোদনযোগ্য মনে করে, নাকি এটি আইজিপির ব্যক্তিগত বক্তব্য তা অবিলম্বে পরিষ্কার করতে হবে।

পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড থেকে বিরত রাখার বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার প্রত্যাশা করছে এইচআরএসএস।

সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিবাদ : 

এদিকে সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে আইজিপির বক্তব্যে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। একই সঙ্গে তার দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। বিবৃতিতে ডিআরইউ নেতারা বলেন, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের সংবাদ প্রকাশ নিয়ে অভিযোগ থাকলে তা সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করতে হবে। ঢালাও নেতিবাচক মন্তব্য করে সাংবাদিক সমাজের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি গণমাধ্যমের প্রতি জনসাধারণের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত করা অনভিপ্রেত। আইজিপির মতো দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন বক্তব্য দেওয়া অগ্রহণযোগ্য।


একই সঙ্গে তার এই বক্তব্যে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে অপরাধবিষয়ক সাংবাদিকদের একমাত্র সংগঠন-বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)। ক্র্যাব নেতারা আইজিপির এই আপত্তিকর বক্তব্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি করেছেন তারা।

পুলিশ সদর দফতরের ব্যাখ্যা :  

চারদিকে তীব্র সমালোচনার মুখে আইজিপির বক্তব্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

সোমবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে গিয়ে আইজিপি ক্রসফায়ার শব্দটি ‘আক্ষরিক’ অর্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি প্রদানের লক্ষ্যে এই শব্দ উল্লেখ করেননি। 

এ ছাড়া একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সম্পর্কে আইজিপির মন্তব্য অসাবধানতাবশত হয়েছে এবং প্রকৃত অর্থে তিনি সাংবাদিকদের সম্পর্কে ঢালাও কোনো মন্তব্য করতে চাননি বলেও জানানো হয়। তবে এর কিছু সময় পর পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে এসে বলা হয়, ক্রসফায়ার শব্দটিকে তিনি ‘রূপক’ অর্থে ব্যবহার করেছেন।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 
  বিষয়:   ক্রসফায়ার  আইজিপি  বক্তব্য  নিন্দা  ক্ষোভ 


Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: