তর্ক থেকে হাতাহাতি, পার্লামেন্টে বক্সিংয়ে নেমেছে আইনপ্রণেতারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে বিতর্ক চলাকালে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। কথার লড়াই একপর্যায়ে ঘুসি ও লাথি বিনিময়ে রূপ নেয়। পরে সংঘর্ষ

2026-10-29T22:11:18+00:00
2026-10-29T22:11:18+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
তর্ক থেকে হাতাহাতি, পার্লামেন্টে বক্সিংয়ে নেমেছে আইনপ্রণেতারা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১১ পিএম 
আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে বিতর্ক চলাকালে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সংগৃহীত ছবি
আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে বিতর্ক চলাকালে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। কথার লড়াই একপর্যায়ে ঘুসি ও লাথি বিনিময়ে রূপ নেয়। পরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে পার্লামেন্ট ভবনের করিডরেও। এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) পার্লামেন্টের অধিবেশন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ায় তা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও আলোচনায় আসে।

যে বিতর্ক থেকে সংঘর্ষ

আর্মেনীয় সংবাদ সংস্থা আর্মেনপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পার্লামেন্টে অডিট চেম্বারের একজন সদস্যের নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ সময় ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য তারোন চাকোয়ান বিরোধী নেতা নারেক কারাপেতিয়ানের এক আত্মীয়ের পুরোনো একটি মন্তব্য তুলে ধরেন।

ওই আত্মীয় নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, তাদের দল ক্ষমতায় গেলে নারীদের সন্তুষ্ট করার জন্য আলাদা একটি ‘মন্ত্রণালয়’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। পার্লামেন্টে বক্তব্য দেওয়ার সময় চাকোয়ান এ মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে কারাপেতিয়ানকে বলেন, তার চাচাতো ভাই এখনো ওই বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাননি বলে দাবি করা হচ্ছে।

নিজের আসনে বসেই এর জবাব দেন কারাপেতিয়ান। পরে তিনি বক্তৃতামঞ্চের দিকে এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

তর্ক থেকে হাতাহাতি, সংঘর্ষ করিডরেও

বিতর্কের একপর্যায়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের মধ্যে ঘুসি ও লাথি বিনিময় শুরু হয়। পরে পার্লামেন্ট কক্ষের বাইরে করিডরেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তাকর্মী ও অন্য আইনপ্রণেতারা তাদের থামানোর চেষ্টা করেন।

সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘর্ষের সময় অশালীন ভাষাও ব্যবহার করা হয়।

বিরোধী নেতাকে দায়ী করলেন স্পিকার

ঘটনার পর বিরোধী নেতা নারেক কারাপেতিয়ানকে দায়ী করেন পার্লামেন্টের স্পিকার রুবেন রুবিনিয়ান।


স্পিকার বলেন, বিরতির সময় তিনি সংঘর্ষের ভিডিও দেখেছেন। তারোন চাকোয়ানের বক্তব্যে আপত্তিকর কিছু ছিল বলে তার মনে হয়নি। কারাপেতিয়ান আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি, নিজের আসনে বসে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন এবং পরে উঠে চাকোয়ানকে আঘাত করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রুবিনিয়ান আরও বলেন, সংঘর্ষ শুরু হলে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য গার্নিক দাভতিয়ান চাকোয়ানকে একবার আঘাত করেন।

পার্লামেন্টের অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ না করার কারণও ব্যাখ্যা করেন স্পিকার। তার ভাষ্য, পার্লামেন্টের ভেতরে কী ঘটছে, তা জনগণের দেখা উচিত বলেই সম্প্রচার চালু রাখা হয়েছিল।

আহত সংসদ সদস্য, পৌঁছায় অ্যাম্বুলেন্স

সংঘর্ষের পর পার্লামেন্ট ভবনে একটি অ্যাম্বুলেন্স আসে। ইউএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিরোধী দলের সংসদ সদস্য আন্দ্রানিক গেভরগিয়ানের নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল। আরেক সংসদ সদস্য রুবেন মখিতারিয়ানের পোশাক ছিঁড়ে যায়।

তবে সংঘর্ষে আর কেউ আহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।


সময়ের আলো/ইউএমএইচ
  বিষয়:   আর্মেনিয়া  পার্লামেন্ট  আইনপ্রণেতা 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: