প্রকাশ: রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৭ এএম
ছবি : সংগৃহীত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।
রোববার (১ নভেম্বর) তার জামিন আবেদনের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী শিশির মনির।
এর আগে একই মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন আখতারুজ্জামান। গত ২৬ অক্টোবর শুনানি শেষে আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৪ অক্টোবরও এ মামলায় তার জামিন আবেদন খারিজ হয়েছিল। সেদিন এক দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত আবেদনটি নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। পরে ২ অক্টোবর তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব।
গ্রেফতারের পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। তাদের বহনকারী উড়োজাহাজটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন শেষে যাত্রীরা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় যান।
এজাহারে বলা হয়, ওই সময় যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় ট্রলি সংগ্রহে সাময়িক সংকট তৈরি হয় এবং দীর্ঘ লাইন দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম না মেনে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া লাগেজ পেতে দেরি হওয়া ও জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে অশোভন আচরণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
সময়ের আলো/জেডি