প্রকাশ: রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম আপডেট: ০১.১১.২০২৬ ৩:৪০ পিএম
মো. মুসা। ছবি : সংগৃহীত পাবনার আতাইকুলার পুষ্পপাড়া হাটে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন হত্যা মামলার সন্দেহভাজন এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
রোববার (১ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার দুপুরে প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় পাবনা এসআরবি-১২।
গ্রেফতার ব্যক্তি আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মো. মুসা (২৬)।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি এর একটি দল পাবনার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া পূর্ব বনগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুসাকে গ্রেফতার করে। তিনি মামলার সন্দেহভাজন ৯ নম্বর আসামি।
পাবনা এসআরবির ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার ডলি রানী সরকার বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিকে ওই হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে উল্লেখ করার পর ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে হত্যায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলে। এমনকি হত্যার দিনের একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সে একজন বলেও আমরা প্রমাণ পেয়েছি। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি আপাতত কিছু বলা যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে গ্রেফতার আসামিকে আতাইকুলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার সারাদিন পুষ্পপাড়া পশুর হাটের চালান আদায় করে হিসেব-নিকেশ শেষ করে চালান ঘরের পেছন দিকের অস্থায়ী অফিসে দুপুরের ভাত খেতে বসেন হাটের ইজারাদার ও সদর উপজেলা শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম এবং ইউনিয়ন শ্রমিকদল নেতা রিপন। এসময় ২৫-৩০ বছর বয়সী ৬ যুবক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গুলি করতে করতে সালামের অফিসে ঢুকে সালাম ও রিপনকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে তাদের হাসপাতালে নেওয়ারর জন্য গাড়িতে তুলতেই সালাম মারা যায়। এর কিছুক্ষণ পর রিপনও মারা যায়।
সবশেষ মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে গত শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে নিজ এলাকা ধর্মগ্রাম কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। এরপর শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আতাইকুলা থানায় সন্দেহভাজন হিসেবে ১৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ১০-১৫ জনকে আসামি মামলা দায়ের করে রিপনের ভাই মো. রুবেল।
সময়ের আলো/এনএন