প্রকাশ: রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:২৭ পিএম
সাজেক রোডে অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিতে চলছে পাল্টা অবরোধখাগড়াছড়ির দীঘিনালা-লংগদু ও বাঘাইছড়ি-সাজেক সড়কে পার্বত্য চট্টগ্রাম অধিকার রক্ষা কমিটি ও পরিবহন শ্রমিকদের ১২ ঘণ্টার অবরোধ চলছে। রোববার (১ নভেম্বর) দীঘিনালা জামতলী এলাকার সুপারি বাগানসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর গাছের গুঁড়ি ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের অবরোধ পালন করতে দেখা গেছে।
এর আগে গত ৩০ অক্টোবর সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বিজয় কান্তি চাকমা স্বাক্ষরিত এক বিঙ্গপ্তিতিতে জানানো হয় ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন’ তৃতীয় দফায় ১০ দিন অবরোধ শেষে আজ (১ নভেম্বর) ১২ ঘণ্টার জন্য অবরোধ শিথিল থাকবে। পরবর্তীতে আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য আবার অবরোধ চলবে।
টানা অবরোধের ফলে পর্যটন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এর প্রতিবাদে গত (৩১ অক্টোবর) মধ্যরাতে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অধিকার রক্ষা কমিটি’ নামক সংগঠনের সদস্য সচিব বিন্দু লাল চাকমা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাজেকে সহিংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও পর্যটকদের জিম্মি করে হামলার প্রতিবাদে রোববার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সাজেকে দিনব্যাপী অবরোধ থাকবে।
একই সাথে পরিবহন শ্রমিকেরাও সাজেকের অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিতে সড়কে অবস্থান করছে। পরিবহন শ্রমিকদের সড়কে গাছের গুড়ি ফেলে এবং টায়ার জালিয়ে অবরোধ পালন করতে দেখা গিয়েছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিবহন শ্রমিক রমজান আলী বলেন, মাসব্যাপী অবরোধের ফলে আমরা দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি চালাতে না পেরে অসহায় দিন যাপন করছি। আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। তারা তাদের সুবিধার জন্য একদিন অবরোধ শিথিল করেছে, পরবর্তীতে আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। সরকার এবং প্রশাসন যদি এর সুরাহা না করে তাহলে আমরা এর থেকেও কঠোর আন্দোলনে নামবো।
এই বিষয়ে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ পালিত হচ্ছে। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। পুলিশের টহল দল জননিরাপত্তায় মাঠে অবস্থান করছে।
সময়ের আলো/জোই