প্রকাশ: রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২২ পিএম
সংগৃহীত ছবিযুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কাঠামোর অনেকটাই ইতিমধ্যে অকেজো করে দেওয়া হয়েছে। তবে ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’সহ বাকি এক বা দুটি কৌশলগত পারমাণবিক স্থাপনার দফারফা করতে যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ১০ মিনিট সময় লাগবে। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গত শনিবারও ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর তেহরানের বিরুদ্ধে একটি ‘সংক্ষিপ্ত ও তীব্র সামরিক অভিযান’ বা নতুন করে ‘এপিক ফিউরি’ চালানোর পরোক্ষ ইঙ্গিত দেন।
ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের পরপরই ওয়াশিংটন ও তেল আবিবকে কড়া বার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি। শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি নির্দেশ দেন, যেকোনো ধরনের হুমকির মুখে আমেরিকান-জায়নবাদী শত্রুদের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান সব সম্পদকে লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং ভৌগোলিকভাবে সীমাহীন পাল্টা হামলা চালাতে হবে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত কৌশলগত স্থাপনাগুলোর কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর তেহরানের বিরুদ্ধে একটি ‘সংক্ষিপ্ত ও তীব্র সামরিক অভিযান’ বা নতুন করে ‘এপিক ফিউরি’ চালানোর পরোক্ষ ইঙ্গিত দেন। তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চললেও তারা খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সামরিক অভিযানের নির্দিষ্ট সময়সূচি প্রকাশ না করলেও ট্রাম্প স্পষ্ট করেন, প্রয়োজন মনে করলে ওয়াশিংটন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেবে।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উদ্দেশ্য অর্জনে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকলেও নতুন করে হামলার বিষয়ে ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে তেহরানের হামলার কঠোর সমালোচনা করে ওয়াশিংটন স্পষ্ট করেছে, তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ