ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ২৬ মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে নষ্ট হয়েছে শত শত কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম।

2026-11-01T23:27:22+00:00
2026-11-01T23:27:22+00:00
 
  রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬,
১৭ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ২৬ মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২৭ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে নষ্ট হয়েছে শত শত কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম। একাধিক প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ করা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোতে এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করেছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

এপির এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুই ডজনের বেশি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার ক্ষেত্রে ইরানের প্রধান লক্ষ্য ছিল আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা। এসব ব্যবস্থা ধ্বংস বা অকার্যকর করার পর উড়োজাহাজ ও বিভিন্ন ভবনে হামলা চালায় ইরান। এতে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক শ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের পাশাপাশি চারজন আঞ্চলিক কর্মকর্তার সঙ্গেও কথা বলেছে এপি। এসব কর্মকর্তা হামলায় কী কী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে অবগত ছিলেন অথবা সরাসরি ঘটনার তথ্য জানতেন। এপির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আগস্ট পর্যন্ত ইরান বা ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর দাবি করা ১১৫টির বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম থাকা ২৬টি সামরিক ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

এপির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ইরান প্রথমে উড়োজাহাজ রাখার স্থাপনা এবং শত্রুপক্ষের আসন্ন হামলা শনাক্ত করার ব্যবস্থাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে। এরপর গুদাম, সেনাদের আবাসন ও অন্যান্য স্থাপনায় হামলা চালায়। এসব হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তাদের অনেক সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উড়োজাহাজ, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সামরিক ঘাঁটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য সরঞ্জাম।

এই ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। অন্যদিকে, তেহরানও বড় ধরনের পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে। আবার সংঘাত শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো আরও বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ও সরঞ্জাম পুনর্নির্মাণে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী হবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

এপির এই বিশ্লেষণে ইরানের পাল্টা হামলার কৌশল এবং আট মাসের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। পেন্টাগনের মহাপরিদর্শকের দপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রকাশিত স্বাধীন পর্যালোচনায় যেসব তথ্য এসেছে, এই প্রতিবেদনে তার বাইরেও বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে শত শত ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। সংঘাতে মানুষ ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতির সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ ধরনের মূল্যায়নই একমাত্র উপায়। কারণ, ট্রাম্প প্রশাসন ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে খুব কম তথ্য প্রকাশ করেছে। এমনকি বাইরের পক্ষগুলোর স্বাধীনভাবে ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনার পথেও বাধা তৈরি করা হয়েছে। এর একটি উদাহরণ হলো, স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশে বিলম্ব করা।

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড সামরিক ঘাঁটি বা সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে মন্তব্য করতে কিংবা বিস্তারিত তথ্য জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সাধারণত সামরিক অভিযানের নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে তারা এ বিষয়ে কিছু বলতে চায় না। এ প্রতিবেদন তৈরির সময়ও কমান্ডটি কোনো মন্তব্য করেনি। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো ভালোভাবে সুরক্ষিত। দেশটির সামরিক বাহিনী এখন পর্যন্ত যেকোনো সময়ের তুলনায় শক্তিশালী।

এপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে পারনেল বলেন, ‘সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীনে থাকা আমাদের সেনাদের কাছে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রয়েছে। ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে তারা তাদের ঐতিহাসিক সাফল্য অব্যাহত রাখতে পারবে।’

স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের অধিকাংশ হামলা হয়েছে কুয়েতে। এ ছাড়া বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের ওপর চালানো হামলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাটি হয়েছিল কুয়েতে। ১ মার্চ শুয়াইবা বন্দরে ড্রোন হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন।

কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে অন্তত ৩০ বার হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় অন্তত ১৫টি উড়োজাহাজ রাখার স্থাপনা, বেশ কয়েকটি গুদাম এবং আবাসিক এলাকার কাছে থাকা ১০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। কুয়েতের আরেকটি সামরিক ঘাঁটি ক্যাম্প বুয়েরিংয়ে ক্ষয়ক্ষতি আরও বেশি হয়েছে। ইরানের হামলায় ঘাঁটিটির অধিকাংশ উড়োজাহাজ রাখার স্থাপনা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তবে সেনাদের সমাবেশ ও অবসর কাটানোর জায়গাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে আরও বেশি। কারণ, ওই ঘাঁটিতে উড়োজাহাজের সংখ্যা তুলনামূলক কম ছিল।

মার্চ মাসে ঘাঁটিটির শরীরচর্চাকেন্দ্র ধ্বংস হয়ে যায়। জুলাইয়ের শেষ দিকে সেনাদের প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার একটি দোকানেও হামলা হয়। দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, আরেকটি হামলায় ঘাঁটির গাড়ি মেরামতের গ্যারেজ ও খাবার ঘরও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতির সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে কথা বলায় ওই দুই কর্মকর্তা এবং আরও দুজন আঞ্চলিক সামরিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এপির সঙ্গে কথা বলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি হলেও মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ক্ষতি অনিবার্য ছিল বলে মনে করেন র‍্যান্ড স্কুল অব পাবলিক পলিসির জাতীয় নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিচালক রাফায়েল কোহেন। তাঁর মতে, বর্তমানে যুদ্ধ পরিচালনার ধরন এমন হয়ে গেছে যে সব দেশের সামরিক বাহিনীই বড় পরিসরে কম খরচের ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।

কোহেন বলেন, ‘এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সতর্কবার্তা হওয়া উচিত।’

যুদ্ধ শুরুর পর ইরান পাল্টা হামলা চালাতে গিয়ে প্রথমেই এমন সব ব্যবস্থায় নির্ভুলভাবে আঘাত হানে, যেগুলোর কাজ ছিল শত্রুপক্ষের আসন্ন হামলা শনাক্ত করা এবং তা প্রতিহত করা। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো কার্যকর ও বসবাসের উপযোগী রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ভবন ও সরঞ্জামকে লক্ষ্যবস্তু করে।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দুই দিনের মধ্যেই কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান এবং বাহরাইনের নৌবাহিনীর সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনাকেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্রের রাডারব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখার জন্য তৈরি বিশেষ কাঠামো ধ্বংস করে দেয় ইরান। এ ছাড়া সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এবং জর্ডানের মুয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে থাকা বহনযোগ্য রাডারেও হামলা চালায় দেশটি।

অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামবিষয়ক প্রযুক্তিগত গোয়েন্দা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আর্মামেন্ট রিসার্চ সার্ভিসেসের পরিচালক এন আর জেনজেন-জোনস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ আগাম সতর্কীকরণ রাডারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল ইরান। এসব রাডার মেরামত করা বা নতুন করে প্রতিস্থাপন করা কঠিন ও ব্যয়বহুল।


জর্ডানে থাকা একটি রাডারে হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রেথিয়ন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর কাছে এ ধরনের রাডার ছিল মাত্র ১৩টি। বাজেট-সংক্রান্ত নথিতে দেখা গেছে, প্রতিটি রাডারের দাম প্রায় ৫০ কোটি ডলার। কাতারে থাকা আরেকটি রাডারও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ২০১৩ সালে ১১০ কোটি ডলারের একটি চুক্তির মাধ্যমে উপসাগরীয় দেশটি এই রাডার কিনেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পুরো অঞ্চলে এ ধরনের একমাত্র রাডার ছিল এটি।

জেনজেন-জোনস বলেন, এসব স্থাপনায় হামলার উদ্দেশ্য সম্ভবত ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের পরবর্তী হামলার জবাব দেওয়ার সক্ষমতা ব্যাহত ও দুর্বল করে দেওয়া। রাডারগুলোতে হামলার পর যুদ্ধের প্রথম মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম থাকা ১৮টি স্থানে ৫০টির বেশি সফল হামলা চালায় ইরান। এসব হামলায় উড়োজাহাজ রাখার এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজ, যোগাযোগব্যবস্থা, জ্বালানি সংরক্ষণের স্থাপনা এবং সেনাদের থাকার জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মার্চ মাসে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের একটি হামলায় বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি উড়োজাহাজের পেছনের অর্ধেক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আরেকটি হামলায় রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে থাকা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার একটি ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সম্প্রতি সৌদি আরবের ওই বিমানঘাঁটি পরিদর্শন করা আরেক আঞ্চলিক সামরিক কর্মকর্তা সেখানকার ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির বর্ণনা দিয়েছেন।

তিনি জানান, সেখানে বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। নির্মাণসামগ্রী ভেঙে পড়ে ছিল। বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সেনাদের ব্যারাক ও খাবার ঘরসহ বিভিন্ন সরঞ্জামও তিনি দেখেছেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, নজরদারি উড়োজাহাজটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হামলায় আরও কয়েকটি উড়োজাহাজের ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে দুটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজও রয়েছে। অক্টোবরে হালনাগাদ করা যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫টি উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি থেকে প্রায় ২০ মাইল বা ৩২ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত আল ধাফরা বিমানঘাঁটিতেও যুদ্ধের শুরুর দিকে বারবার হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সরাসরি অবগত আরেক আঞ্চলিক সামরিক কর্মকর্তা। তিনি জানান, এসব হামলায় উড়োজাহাজ রাখার স্থাপনা ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি আগাম সতর্কীকরণ রাডারব্যবস্থা এবং নজরদারি ড্রোনের মতো সামরিক সরঞ্জামও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।



সময়ের আলো/ইউএমএইচ
  বিষয়:   ইরান  হামলা  মধ্যপ্রাচ্য  মার্কিন ঘাঁটি  ক্ষতিগ্রস্ত 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: