প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৯ এএম
সোমবার রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ছবি : সংগৃহীতশক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়া ঝড়টি সোমবার (২ নভেম্বর) রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর।
সোমবার (২ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদফতরের ৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে।
সোমবার ভোর ৩টায় ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮২ দশমিক ৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এ সময় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৯০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ছিল এটি।
ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ায় তা ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হলে সোমবার রাত নাগাদ প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে ‘মুরাসু’।
সময়ের আলো/এমকে