উলিপুরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ২০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

সারাদেশ

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় প্রায় ২০০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে প্রশাসনিক ও

2026-11-02T19:03:00+00:00
2026-11-02T19:03:00+00:00
 
  সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬,
১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
উলিপুরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ২০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়
উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম 
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। ছবি : সংগৃহীত
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় প্রায় ২০০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সহকারী শিক্ষকরা। ফলে বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা মিলে মোট ২৬৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০টি বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য।

এসব বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ৩৬ হাজার ২৫০ জন। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ১৭ হাজার ১৭৬ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ১৯ হাজার ৭৪ জন।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় দাফতরিক কাজের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের দ্বিগুণ চাপ সামলাতে হচ্ছে সহকারী শিক্ষকদের। জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা শিক্ষা অফিসে যাতায়াত করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া কতজন শিক্ষক ডেপুটেশনে উপজেলা, জেলা, বিভাগ কিংবা বিভাগের বাইরে কর্মরত আছেন, তার কোনো সঠিক তথ্য শিক্ষা অফিসে নেই। যার ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দিন দিন শিক্ষার মানের বিপর্যয় ঘটছে।

ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লাভলী বেগম জানান, প্রতিদিন আমাকে তিন থেকে চারটি ক্লাস নিতে হয়। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় অতিরিক্ত প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। একদিকে ক্লাসের চাপ, অন্যদিকে প্রশাসনিক কাজ, সব মিলিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

মাদারটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফ ফারুকী বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকায় দাফতরিক কাজের পাশাপাশি পাঠদানের দ্বিগুণ চাপ সামলাতে হচ্ছে। জরুরি কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসে যেতে হয়, ফলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার গুণগত মান কমে যাচ্ছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস ফাতেমা তোকদার বলেন, সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে ইতোমধ্যে নতুন শিক্ষকরা যোগদান করেছেন। প্রধান শিক্ষক শূন্য পদের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

সময়ের আলো/এনএন
  বিষয়:   উলিপুর  প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে  ২০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়  কুড়িগ্রাম  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: