প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৯ পিএম আপডেট: ০৬.১১.২০২৬ ৫:৪০ পিএম
জর্জিয়া থেকে পুনরায় নির্বাচিত সিনেটর জন অসফ তার বিজয়ী ভাষণে এআই শিল্পের সমালোচনা করেছেন। ছবি : সংগৃহীত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থীদের প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডেটা সেন্টারের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। দেশজুড়ে দ্রুত এআই প্রযুক্তির প্রসার এবং ডেটা সেন্টার নির্মাণের প্রভাব নিয়ে জনমনে বাড়তে থাকা উদ্বেগকে নির্বাচনি প্রচারে তুলে ধরেছেন তারা।
মিশিগানের নির্বাচনি লড়াইয়ে জয়ী আবদুল এল সাইয়েদ সিনেট নির্বাচনের প্রাথমিক প্রচারেই ডেটা সেন্টারের জন্য নতুন নিয়ম ও বিধিমালা প্রণয়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।
টেক্সাসে সিনেট নির্বাচনে জয়ী জেমস তালারিকো প্রচারে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দেওয়া ‘বিশেষ সুবিধার’ করচুক্তি বন্ধের দাবি জানান।
এআই ও এর অবকাঠামোর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। বিশেষ করে এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে প্রযুক্তি খাতের কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তির সতর্কবার্তার পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।
জর্জিয়া থেকে পুনর্নির্বাচিত সিনেটর জন অসফ তার বিজয়ী ভাষণে সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিদের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘সিলিকন ভ্যালির প্রভাবশালীরা নিজেদের জন্য বাঙ্কার তৈরি করছেন, আবার সতর্ক করছেন যে তাদের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি তৈরি করছে।’
প্রযুক্তি শেয়ারের দরপতনের প্রভাব পেনশনেও
বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতন অনেকের কাছে দূরের বিষয় মনে হতে পারে। ব্যক্তিগত আয়, দৈনন্দিন খরচ কিংবা বাজারসদাইয়ের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক চোখে না পড়লেও এর প্রভাব পড়তে পারে ভবিষ্যতের সঞ্চয়ে।
অনেক কর্মী ও তাদের নিয়োগকর্তা নিয়মিত পেনশন তহবিলে অর্থ জমা দেন। এসব তহবিলের একটি অংশ বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বিনিয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে। ফলে ওই শেয়ারগুলোর দাম কমলে পেনশন তহবিলের মূল্যও কমে যেতে পারে।
তবে পেনশন মূলত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। তাই স্বল্পমেয়াদে বাজারে ওঠানামা হলেও দীর্ঘ সময়ের কথা বিবেচনায় রেখে এসব তহবিল পরিচালিত হয়। সাম্প্রতিক প্রযুক্তি শেয়ারের দরপতনের আগে এসব শেয়ারের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল।
তবে শেয়ারের দাম দীর্ঘ সময় ধরে এবং ব্যাপকভাবে কমতে থাকলে কর্মসংস্থান ও অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তার ওপর প্রভাব পড়তে পারে। অন্যদিকে, কিছু বিনিয়োগকারীর কাছে দরপতনের সময় শেয়ার কেনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ ধরনের বিনিয়োগেও ঝুঁকি রয়েছে।
সময়ের আলো/জেডি